Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৩:৫২ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৫:৩৬
শ্রীদেবীর মৃত্যুর কারণ - হার্ট অ্যাটাক নাকি কসমেটিক
অনলাইন ডেস্ক
শ্রীদেবীর মৃত্যুর কারণ - হার্ট অ্যাটাক নাকি কসমেটিক
bd-pratidin

আড়াই দশক ধরে যখন তিনি দক্ষিণী ও বলিউডের ছবিতে রাজত্ব করেছেন, তখন তার রূপ পুরুষ হৃদয়ের স্পন্দন বাড়িয়ে দিত। দীর্ঘ পনেরো বছর পরে যখন 'ইংলিশ ভিংলিশ'-এর শশী হয়ে ফিরলেন, তখন কিন্তু তিনি ছিপছিপে, তন্বী।

গত পাঁচ বছর শ্রীদেবীর এই 'নতুন রূপ' নিয়ে চর্চা কম হয়নি। প্রশংসা কুড়িয়েছেন প্রচুর। নামজাদা বিদেশি পত্রিকার মলাটে ছবি বেরিয়েছে। কিন্তু শনিবার রাতে নায়িকার হঠাৎ প্রয়াণে অনেকের মনেই সন্দেহের কাঁটা। ৫৪ বছরের নায়িকার মধ্যেই কি মৃত্যুর বীজ বাসা বেঁধেছিল? 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছেয়ে ফেলা একটি ফেসবুক পোস্টের প্রশ্ন, জীবনের ঘড়ির কাঁটা উল্টো দিকে ঘুরাতে বার বার কসমেটিক সার্জারির তাড়নাই কি তার জীবন এতটা ছোট করে ফেলল?

পোড়খাওয়া প্লাস্টিক বা কসমেটিক সার্জনদের একাংশ এই ধারণার মধ্যে যুক্তির থেকে আবেগের ভাগটাই বেশি বলে মনে করছেন। 

প্লাস্টিক সার্জন মনীশমুকুল ঘোষ বা কসমেটিক সার্জন মনোজ খন্নার মতে, ক্যামেরার সামনে নিখুঁত হতে চামড়ার ওপরে অস্ত্রোপচারে বাড়তি ঝুঁকি নেই। নাক-ঠোঁট সুন্দর করতে অস্ত্রোপচার শরীরে দীর্ঘমেয়াদি ছাপ ফেলে না। ঢিলেঢালা চামড়া টানটান করতে বোটক্সের মাত্রা নিয়ে ডাক্তারদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, এই ধরনের ইঞ্জেকশনের প্রতি বেশি নির্ভরতা ভােলো নয়। কিন্তু তা প্রাণঘাতী হতে পারে এমনটা বলছেন না কেউই। 

চামড়ার বলিরেখা সারানোর অস্ত্রোপচারে অভিজ্ঞ পিয়ালি মুখোপাধ্যায় বলছেন, ২৫-৩০ বছর ধরে এই ধরনের চিকিৎসা করিয়েও সুস্থ রয়েছেন অনেকেই। 

তবে ডাক্তাররা বলছেন, নিরন্তর তরুণ থাকতে চাওয়ার জেদ মানসিক চাপও তৈরি করে। যার প্রভাব অবশ্যই শরীরে পড়ে। আটের দশকের মাঝামাঝি শ্রীদেবীই কিন্তু প্রথম কসমেটিক সার্জারি করে ভোলবদল করার রেওয়াজ শুরু করেন বলিউডে।

সমস্যাটা অস্বীকার করছেন না অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও। রোগা বা বলিরেখাহীন হতে গিয়ে চোখমুখ অস্বাভাবিক দেখানোটা ভালো নয়। 

রাতারাতি ওজন কমিয়েই তো নতুন রূপে আর্বিভূত হয়েছিলেন শ্রীদেবী। সে রূপ এতটাই 'নতুন' যে, মেয়ে জাহ্নবীর পাশে দাঁড়ালে মা-মেয়ের তফাত বোঝা যেত না!

বিডি প্রতিদিন/২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/আরাফাত

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow