ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

অলিগলিতে ইয়াবা-মাদক
মাহমুদ আজহার

রাজধানীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি অলিগলিতেই এখন মাদকের আখড়া। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্পরতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে জনমনে। বালুর মাঠেও ইয়াবা ব্যবসা চলছে দেদার। এ ছাড়া নর্দা, শাহজাদপুর বাটারগলি, নতুন বাজারসহ এ ওয়ার্ডের প্রতিটি অলিগলিতে হাত বাড়ালেই মেলে ইয়াবাসহ নানা ধরনের মাদক। কালাচাঁদপুরের এক বাসিন্দা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের বড় একটি অংশই ইয়াবা সেবন করছে। যুবসমাজ আজ মাদকে আসক্ত।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন বাবুল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমি জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। মাদক ব্যবসায়ী, সেবী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, আমার ওয়ার্ডে স্থান নেই। আমি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গেও মাদক রোধে দফায় দফায় বৈঠক করছি।’ সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শাহজাদপুরের সুতিয়া খালটি দুই পাশের প্রভাবশালীরা দখল করতে করতে ক্রমেই সংকুচিত করে ফেলেছেন। এলাকাবাসীর দাবি, খালটির পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ খালটি গুলশান লেকের সঙ্গে সংযুক্ত করা জরুরি। খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় পানি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। পানি পুরোপুরি দুর্গন্ধযুক্ত। তারা এ ব্যাপারে ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে মহাসড়কে সুবাস্তু মার্কেটের আশপাশে ফুটপাথের দোকানগুলোয় চলছে ব্যাপকহারে চাঁদাবাজি। একই অবস্থা কালাচাঁদপুরের বিভিন্ন সড়কেও। ফুটপাথ ব্যবসায়ীদের অভিযোগের তীর পুলিশের দিকে। শুধু পুলিশই নয়, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীর ছেলেরাও এ চাঁদাবাজিতে জড়িত। ওয়ার্ডের গলি রাস্তাগুলোও ক্রমে ছোট হয়ে আসছে। ৫০ ফুটের রাস্তা হয়ে যাচ্ছে ২০ ফুট। স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখলের সঙ্গে জড়িত। জাকির হোসেন বাবুলের দাবি, ‘১৮ নম্বর ওয়ার্ডে সন্ত্রাস নেই। চাঁদাবাজিও নেই। ছোটখাটো দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে।

অলিগলির রাস্তাগুলো ক্রমেই ছোট হয়ে যাচ্ছে এটা অস্বীকার করছি না। সুতিয়া খালও ছোট হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সিটি মেয়রের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’



এই পাতার আরো খবর