ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

মশা নিধনসহ কমিউনিটি সেন্টার চান এলাকাবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ময়লা-আবর্জনা আর মশার উৎপাতে দিশাহারা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এর সঙ্গে রয়েছে গ্যাস-পানি-বিদ্যুতের সমস্যা। তারা অবিলম্বে এসব সমস্যার সমাধান চাইছেন। এসঙ্গে তাদের একটি কমিউনিটি সেন্টারের দাবিও রয়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, এই ওয়ার্ডের শ্যামলী হাউজিং সোসাইটি, নবোদয় হাউজিং সোসাইটি, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি ও বেধেরটেক এলাকায় খালের ময়লা আবর্জনা জলাবদ্ধতা তৈরি করে আছে। এলাকা জুড়ে বিরাজ করছে উৎকট দুর্গন্ধ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ অবস্থায় নানা রোগ-জীবাণুতে আক্রান্ত হচ্ছেন এলাকার মানুষ। বেশি ভুগছেন নারী ও শিশুরা। মশার ভয়ানক প্রাদুর্ভাবে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া জ্বরসহ নানা জটিল ব্যাধি লেগেই আছে। দ্রুত মশা নিধনের জন্য তারা ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ বিষয়ে তারা আরও জানিয়েছেন, অতীতে কালেভদ্রে এ এলাকায় সিটি করপোরেশনের লোকজনকে মশা মারার ওষুধ ছিটাতে দেখা গেলেও গত কয়েক মাসের মধ্যে তাদের কাউকেই দেখা যায়নি।

সমস্যার বিষয়ে শেখেরটেক ১০ নম্বর মার্কেট এলাকার রাজনৈতিক নেতা আবুল কালাম আজাদ এলাকার ছেলেমেয়েদের জন্য অপ্রতুল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন বলে জানান। তিনি বলেন, একটি বয়েজ হাইস্কুল, একটি কলেজ, আর একটি মাদ্রাসা স্থাপন করা অপরিহার্য। স্থানীয় বাসিন্দা ব্যাংক কর্মকর্তা শ্যামল বাবু বলেন, ‘বর্ষা আর শুকনা সিজন বলে কথা নেই, এখন প্রায় সব সময়ই এ এলাকায় পানির সংকট লেগে আছে। পানির অপর নাম জীবন হলেও শেখেরটেক এলাকাবাসীর জন্য এই জীবনই যেন হুমকিতে পড়েছে।’ তিনি অবিলম্বে অন্তত পাঁচটি পানির পাম্প স্থাপন করার দাবি জানান। দেখা গেছে এলাকার শ্যামলী হাউজিং লিমিটেডের প্রথম প্রকল্পে রাস্তা পারাপারে কোনো সেতু না থাকায় ছোট্ট একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হচ্ছে। প্রতিদিনই বয়স্ক নারী-পুরুষ ও ছোট ছেলেমেয়েরা পারাপারের সময় সাঁকোর নিচে পড়ে আহত হচ্ছেন।



এই পাতার আরো খবর