ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

কিশোরীকে আট দিন আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি

সিলেটের বিশ্বনাথে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক কিশোরী। শরীরে চেতনানাশক ইঞ্জেকশন পুশ করে আট দিন আটকে রেখে কথিত প্রেমিক ও তার সহযোগীরা কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নে।স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৯ জানুয়ারি বিশ্বনাথের রামচন্দ্রপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে রুবেল মিয়ার প্রেমের টানে ঘর ছাড়ে পার্শ্ববর্তী ছাতক উপজেলার এক কিশোরী। এর তিন দিন পর তার ভাই ছাতক থানায় ‘নিখোঁজ’ মর্মে জিডি করেন। এদিকে কিশোরীকে এনে বাড়ির পাশে দোকানে আটকে রাখে রুবেল। তার শরীরে পুশ করা হয় চেতনানাশক ইঞ্জেকশন। এর পর আটদিন রুবেল ও সহযোগীরা মেয়েটির ওপর চালায় পাশবিক নির্যাতন। গত সোমবার অভিযুক্তরা অটো ভাড়া করে অচেতন অবস্থায় তাকে সিলেট পাঠিয়ে দেয়। ভাইকেও ফোনে তার অবস্থান জানায়। কিশোরীর ভাই নগরীর কাজির বাজার ব্রিজের উপর থেকে বোনকে উদ্ধার করেন। এ সময় লোকজন অটোচালক বিশ্বনাথের গফুর আলীকে ধরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করেন। ছামিয়াকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। রামপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাজ উল্লাহ বলেন, বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করছি। আগামী রবিবার মেয়েটিকে ক্ষতিপূরণ বাবদ সাড়ে তিন লাখ টাকা (অভিযুক্তদের কাছ থেকে) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্বনাথ থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ও ছাতক থানার আশেক সুুজা মামুন জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 



এই পাতার আরো খবর