ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

শরীয়তপুরে ঘর থেকে তুলে নিয়ে স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ
শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

শরীয়তপুর সদর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। গণধর্ষণের ঘটনার অভিযোগে ওই ছাত্রীর বাবা শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানায় চার ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

পালং মডেল থানা সূত্র জানা যায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি ইউনিয়নের একটি গ্রামে দরিদ্র কৃষকের ১৩ বছর বয়সি মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাদের ঘরে প্রবেশ করে একই গ্রামের ইয়াসিন খান, ইকবাল ফকির, শহীদুল শেখ ও পারভেজ মাদবর নামে চার বখাটে। তারা মেয়েটিকে জোর করে তুলে নিয়ে বাড়ির বাগনে নিয়ে গণধর্ষণ করে। ঘটনার পর মেয়েটিকে ফেলে রেখে গেলে গ্রামবাসী তাকে উদ্ধার করে। 

পালং মডেল থানায় বসে কাঁদতে কাঁদতে মেয়েটি জানায়, আমার সব শেষ করে দিয়েছে। এখন কীভাবে আমি সমাজে বেঁচে থাকব। কীভাবে স্কুলে সহপাঠিদের কাছে মুখ দেখাব।

স্কুল ছাত্রীর বাবা বলেন, আমি গরিব কৃষক। করো সাথে কোন শত্রুতা নেই। কেন বখাটেরা আমার মেয়ের এমন সর্বনাশ করল। আমার মেয়েটি এতবড় ধাক্কা কীভাবে সামলে উঠবে। আমি নরপশুদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি পালং মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গণধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ওই চার বখাটে যুবককে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ওই মামলার আসামি ইয়াসিন খানকে আটক করেছে। শনিবার দুপুরে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

পালং মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমারত হোসেন বলেন, গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার

 



এই পাতার আরো খবর