ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

বই পড়েন না ট্রাম্প, পড়েন না আরও অনেকে
অনলাইন ডেস্ক

পৃথিবীর প্রায় সব মানুষই কম-বেশি বই পড়তে পছন্দ করেন। এদের মধ্যে অনেকে আবার সময় পেলেই বইয়ের পাতায় চোখ মেলে ধরেন। মূলত জ্ঞানার্জনের জন্যই বই পড়া। যদিও শখের বশেও অনেকে বই পড়েন। এমনিতে যুক্তরাজ্যের ধনকুবের রিচার্ড ব্র্যানসন, ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, প্রযুক্তির দুনিয়ায় অন্যতম দিকপাল এলোন মাস্ক কিংবা মার্কিন ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট তাদের বই পড়ার অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন। আমেরিকার এক সময়ের ডিফেন্স সেক্রেটারি জেমস 'ম্যাড ডগ' ম্যাটিসের তো ৬ হাজার বইয়ের একটি ব্যক্তিগত লাইব্রেরিই ছিল। একবার বিল গেটসও জানিয়েছিলেন, তিনি বছরে ৫০টি বই পড়েন। আবার বিশ্বে এমন কিছু বিখ্যাত মানুষ রয়েছেন যারা বই পড়েন না। এই তালিকায় নাম রয়েছে সদ্য দায়িত্বগ্রহণ করা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

১. ফ্লেউর পেলেরিন: ফরাসি সংস্কৃতিমন্ত্রী ২০১৪ সালে বলেন, গত দুই বছর ধরে আমি কোনো বই পড়িনি। আমি এ বিষয়টি স্বীকার করতে অস্বস্তিবোধ করি না যে, বই পড়ার সময় আমার হাতে থাকে না। তবে আমাকে প্রচুর নোট ও সরকারি নথিপত্র পড়ে দেখতে হয়।

২.কেইনি ওয়েস্ট: 'থ্যাঙ্ক ইউ অ্যান্ড ইউ আর ওয়েলকাম' বইয়ের সহ লেখক তিনি, কিন্তু বই পড়তে মোটেও ভালো লাগে না তার। ২০০৯ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, আমি বইয়ের ভক্ত নই। আমি কোনো লেখকের অটোগ্রাফও চাই না। গর্বের সঙ্গেই বলি, আমি বই পড়ি না। তবে কথা বলে বা বাস্তবতা থেকে আমি তথ্য নিতে বা জানতেই পছন্দ করি।

৩. ব্রায়ান ক্রাজানিক: ইন্টেলের সিইও। তিনি বলেন, আমি পড়ি না। আমি বই পড়ি না। আমার সে সময় নেই। এভাবে বইয়ের প্রতি নিরাসক্তির কথা জানান  ব্রায়ান। শেষ যা পড়েছিলেন তা কোনো বই নয়। বরং ওটা ওয়েল্ডিং বিষয়ে একটি নির্দেশনা বই ছিল।

৪. মেগান ট্রেইনর: মার্কিন গায়িকা ২০১৪ সালে কসমোপলিটনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, আমি বই পড়ি না। আর এখন পর্যন্ত 'ফিফটি শেডস অব গ্রে' বইটি পড়িনি। সরাসরি জানিয়ে দেন তিনি।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও আছেন বই না পড়াদের তালিকায়। তিনি পরিষ্কার করে জানিয়েছেন যে, ভালো পড়ুয়া তিনি মোটেও নন। একবার মেগান কেলি তাকে তার প্রিয় কোনো বইয়ের নাম বলতে অনুরোধ করেন। তখনই এ কথা জানান। তবে 'অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টর্ন ফ্রন্ট' বইয়ের নামটি তিনি বলেছিলেন। শেষ কোন বইটি পড়েছিলেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বইয়ের খুব বেশি একটা অংশ পড়ি বা একটা অধ্যায় পড়ি। পুরো বই পড়ার সময় আমার নেই। সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

বিডি-প্রতিদিন/০১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/মাহবুব

 



এই পাতার আরো খবর