ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

আইএসে গিয়ে নিহত সন্তান
মর্মস্পর্শী বর্ণনা মায়ের
প্রতিদিন ডেস্ক

১৮ বছর বয়সে হঠাৎ পাল্টে যায় সাবরি বেন আলী। আইএসের টানে বেলজিয়ামের বাবা-মায়ের ঘর ছেড়ে পাড়ি জমান সিরিয়ার

যুদ্ধক্ষেত্রে। তিন মাস পর ফোন আসে তার অধ্যায় শেষ হওয়ার খবর। আইএস নেতা আবু বকর আল-বাগদাদির খেলাফতে আকৃষ্ট হয়ে যেসব তরুণ-তরুণী ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ছেড়ে ইরাক-সিরিয়ায় গিয়েছিলেন, তাদেরই একজন সাবরি তিউনিশীয় বংশোদ্ভূত। খবর বিডিনিউজ। বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া এই  তরুণ বেড়ে উঠেছেন যে মায়ের স্নেহে— সেই সালিহা বেন আলী দুই দশক ধরেই জড়িত নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে। তাই পারিবারিক গোঁড়ামি থেকে তার এই পরিবর্তন মেনে নিতে নারাজ মা সালিহা বেন আলী। তবে মুসলিম হওয়ায় এক ধরনের ভীতি তাকে তাড়া করত, তার সুযোগই উগ্রবাদীরা নেয় বলে মন্তব্য তার। উগ্রবাদী উন্মাদনায় ছেলে হারানো সালিহা এখন বিশ্বজুড়ে ধর্মীয় চরমপন্থার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছেন। বেলজিয়ামে সোসাইটি অ্যাগেইনস্ট ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিজম (সেভ) গড়ে তোলা এই নারী গতকাল হাজির হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের এক আলোচনায়। তার মতে, জঙ্গি সংগ্রহের কাজ বিশ্বের সব জায়গায় প্রায় একই ধরনের। এ কারণেই প্রায় সব দেশ থেকে কর্মী সংগ্রহ করতে পারছে আইএস।

আমাদের ভাবতে হবে এবং উপায় বের করতে হবে। সেটা করতে হবে সমাজের সব অ্যাক্টরকে সঙ্গে নিয়ে— স্কুল, পরিবার, সরকার, রাজনীতিক, ধর্মীয় নেতা সবাই থাকবে সেখানে। সালিহা তার সংগঠনের মাধ্যমে বেলজিয়ামের মুসলিম তরুণদের জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে মায়েদের স্কুল ও অ্যানিমেশন স্কুলসহ নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। সকালে ইনোভেশন ফর ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘ক্যাম্পেইন টু কাউন্টার ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিজম— শেয়ারিং লার্নিং ফ্রম সোসাইটি অ্যাগেইনস্ট ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিজম (সেভ) বেলজিয়াম’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এভাবেই ছেলের জঙ্গি হওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন সালিহা।



এই পাতার আরো খবর