ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

এক লাফে গরুর মাংসের দাম বেড়েছে ৮০ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাজার দর

ধর্মঘটের পর রাজধানীতে বিক্রেতারা গরুর মাংসের দাম এক লাফে বাড়িয়েছেন কেজিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। বাজারে তারা গরুর মাংস বিক্রি করছেন ৫০০ টাকা কেজিতে। ধর্মঘটের আগে যা ছিল ৪২০ থেকে ৪৩০ টাকা।

গতকাল কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি মাংসের দোকানেই সাজানো আছে মাংস। দাম বেশি হলেও বিক্রি ভালোই হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। তারা গরুর মাংস কেজিতে বিক্রি করছেন ৫০০ টাকায়। তবে খাসির মাংসের দাম খুব বেশি বাড়েনি। ধর্মঘটের আগে খাসির মাংস কেজিপ্রতি ছিল ৭০০ টাকা, এখনো সে দামেই বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দামে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় ৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮৫, দেশি মুরগি ৪০০, পাকিস্তানি লাল মুরগি ২৮০ টাকায়। মাছের বাজারে দেখা গেছে, আকার ভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৩৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের সপ্তাহের মতোই সবজির দর স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি কেজি সাদা বেগুন ৫০, কালো বেগুন ৪০, কাঁচামরিচ ৬০, শিম ৩৫-৪০, টমেটো ৩৫-৪০, চাল কুমড়া ১৫, কঢ়ুর লতি ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি পটোল ৯০, ঢেঁড়স ১০০, ঝিঙ্গা ৮০, চিচিঙ্গা ৭০, করলা ৫৫-৬০, কাঁকরোল ৫০, কচুরমুখি ৬০, আলু ১৫ এবং পেঁপে ১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  প্রতিটি ফুলকপি ৩৫-৪০, বাঁধাকপি ২০-২৫, পালংশাক ১৫, লালশাক ১৫, পুঁইশাক ২০ এবং লাউশাক ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি স্বর্ণা ৪০, পারিজা ৪০-৪১, মিনিকেট ভালো ৫০-৫৩, মিনিকেট নরমাল ৪৮, বিআর আটাশ ৪২-৪৪, নাজিরশাইল ৪২-৪৮, বাসমতি ৫৬ টাকা, কাটারিভোগ ৭৪-৭৬, হাস্কি নাজির ৪০ এবং পোলাও চাল ১০০ (পুরনো) ও নতুন ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।



এই পাতার আরো খবর