ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

গার্মেন্ট শ্রমিকদের মুক্তি চেয়ে চিঠি ১১ কংগ্রেসম্যানের
প্রতিদিন ডেস্ক

বাংলাদেশের কারাবন্দী শ্রমিক নেতাদের মধ্যে যাদের ভুলবশত আটক করা হয়েছে তাদের অবিলম্বে মুক্তি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের ১১ সদস্য। ২৩ ফেব্রুয়ারি পাঠানো ওই পত্রে গার্মেন্ট শ্রমিকসহ সব শ্রমিকের অধিকারের বিষয়টি ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। শ্রমিক অধিকার পুনর্বহালের জন্যও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি কামনা করেছেন তারা। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে প্রেরিত এ চিঠির কপি বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানিকারী মার্কিন কোম্পানিগুলোকেও প্রদান করা হয়েছে। তবে দূতাবাস ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ধরনের কোনো পত্র পায়নি বলে এনআরবি নিউজকে জানিয়েছে। দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি শামীম আহমেদ বলেছেন, ‘ঢাকার মিডিয়ায় দেখেছি সংবাদটি। আমরা এখনো যেহেতু কিছু পাইনি তাই এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের কিছু বলার সময় হয়নি।’ এদিকে চিঠি প্রেরণের তথ্য নিশ্চিত করেছে কংগ্রেসম্যান জেনিস ডি স্ক্যাকোয়াস্কির অফিস। ওই চিঠিতে স্বাক্ষরকারী কংগ্রেসম্যানরা হলেন যোসেফ ক্রাউলি, জেমস পি ম্যাকগভার্স, মার্ক পক্যান, উইলিয়াম কিটিং, জ্যাকি স্পাইয়ার, স্টিভ কহেন, স্যান্ডার লেভিন, বিল প্রেসক্রল, জেনিস ডি স্ক্যাকোয়াস্কি, রবার্ট সি ববি স্কট এবং বারবারা লি। চিঠিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার বৈধ তত্পরতাকে হরণের সংবাদ জানার পরই মার্কিন সরকার জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয় বাংলাদেশের কিছু পণ্যের ওপর থেকে।’ জিএসপি পুনর্বহালের পূর্বশর্ত হিসেবে মার্কিন সরকারের বেঁধে দেওয়া শর্তগুলো পূরণ তথা শ্রমিক অধিকারের ব্যাপারগুলো আরও পশ্চাত্গামী হয়েছে।’

চিঠিতে কংগ্রেসম্যানরা বলেছেন, ‘পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এবং বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আইন দ্বারা সুরক্ষিত শ্রমিকদের তত্পরতাকে অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করার ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি। এ পর্যন্ত কতজন শ্রমিককে আটক করা হয়েছে জরুরি ভিত্তিতে তাদের সংখ্যা জানাতে এবং দায়ের করা সব মামলা পর্যালোচনা করতে আপনার (প্রধানমন্ত্রী) প্রতি আহ্বান জানাই।’



এই পাতার আরো খবর