ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

দিনাজপুরে বাড়ছে কুঁচিয়া খামার
দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শ্যামপুর, চণ্ডীপুর, আয়ড়া, বেলডাঙ্গা ও কল্যাণপুর গ্রামে কুঁচিয়া চাষ প্রদর্শনী খামার করেছে উপজেলা মত্স্য অধিদফতর। মানবদেহের বিভিন্ন রোগ নিরাময়কারী, অধিক আমিষ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ কুঁচিয়া চাষ অল্প সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় অনেকে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। দেশের বাজার ছাড়াও ভারত ও চীনে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। পুষ্টি চাহিদার জোগানসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখবে এ কুঁচিয়া। স্থানীয় আদিবাসীদের ১০-১২ জনের কমিটি করে সরকারি অর্থায়ন ও তদারকিতে প্রদর্শনী খামার পরিচালিত হচ্ছে। তিন বছর মেয়াদি প্রদর্শনীগুলো কমিটির সদস্যরা পাহারা দেবেন এবং উত্পাদিত কুঁচিয়া সদস্যরাই পাবেন। বিরামপুরের প্রফেসরপাড়ার কুঁচিয়া চাষ প্রদর্শনী খামারের দলপতি নরেন পাহান জানান, কুঁচিয়ার স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা এবং প্রতি কেজি কুঁচিয়া ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এ ধরনের একটি খামার থেকে বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার কুঁচিয়া পাওয়া সম্ভব। ছোট পরিসরে চাষাবাদ ও স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফার কথা ভেবে অনেক মাছ চাষি ও এনজিওর কুঁচিয়া চাষে আগ্রহ বাড়ছে। সাঁওতালরা আধুনিক পদ্ধতিতে কুঁচিয়া চাষে অধিক আগ্রহী হলেও অর্থাভাবে এগোতে পারছেন না। বিরামপুর উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা মো. নূরনবী জানান, কুঁচিয়ার চাষপ্রযুক্তি সম্প্রসারণ, উত্পাদন বৃদ্ধি, পুষ্টি চাহিদার জোগান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতি আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে প্রকল্পের অধীন এ প্রদর্শনীগুলো চালু করা হয়েছে। ছোট পরিসরে অ্যাকোয়া পদ্ধতি অর্থাত্ বদ্ধ জলাশয়ে কুঁচিয়ার চাষ করা যায়।  তৈরি অ্যাকোয়ার ভিতর পোনা ছেড়ে সামান্য খাবারেই সেগুলো বেড়ে ওঠে।



এই পাতার আরো খবর