ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

উদ্ভাবন
উদ্ধারকাজে ব্যবহার হবে ড্রোন

উন্নত বিশ্বে ড্রোন বানানো প্রতিষ্ঠান অ্যারোনেস বলছে এক নতুন প্রকৌশলীর তৈরি ড্রোন এখন থেকে উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা যাবে। সেই প্রকৌশলী ড্রোনবোর্ডিং-এ ব্যবহার করছে ড্রোন। ওয়াটার স্কির মতোই ড্রোনবোর্ডিং। ড্রোনবোর্ডিংয়ের পাশাপাশি এটি যে কোনো উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা যাবে। ড্রোনবোর্ডিংয়ের পরিকল্পনা প্রায় বছর তিনেক আগেই করা হয়েছিল। ড্রোনটি বানাতে খরচ পড়েছে প্রায় ত্রিশ লাখ টাকা। তিন মিটার লম্বা ৫৫ কিলোগ্রাম ওজনের এই ড্রোন ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে। ড্রোনবোর্ডিংয়ের জন্য প্রয়োজন বরফআবৃত সমতল ভূমি। একটি রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে ড্রোনের গতি নিয়ন্ত্রণ ও ড্রোনবোর্ডাদের রশির সংযোগ রক্ষা করা হয়। অ্যারোনেসের সিইও জেনিস পুট্রামস বলেন, হঠাৎ করেই বানানোর চিন্তা করি।  প্রথমে আমরা চার পাখার ড্রোন দিয়ে পরীক্ষা করি, যার সর্বশেষ সংস্করণ হলো ১৬ পাখার ড্রোন। ড্রোনটি ব্যাটারির মাধ্যমে চলে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ উদ্ভাবনটি নানাভাবে মানুষের জীবন বাঁচাতেও পারবে। ড্রোনটি একটি মানুষকে খুব সহজেই তুলতে পারে। ফলে কোনো ভবনে আগুন লাগলে মানুষকে বাঁচাতে কাজে লাগানো যাবে। আবার কেউ কোনো গভীর খাদে আটকা পড়লে তাকে উদ্ধার করা যাবে। আবার মাটির নিচের খনিজ কর্মীদেরও কাজে আসবে এই ড্রোন। অ্যারোনেস এখন খুঁজছে স্পন্সর প্রকল্পটির উন্নয়ন আর উদ্ধারকাজ ও বাণিজ্যিক ব্যবহার বাড়ানোর জন্য। এটি বাজারে এলে সবার আগে এর সুফল কাজে লাগবে ফায়ার সার্ভিসে।



এই পাতার আরো খবর