ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

শিরোপা জেতাটা জরুরি ছিল
শফিকুল ইসলাম মানিক
ক্রীড়া প্রতিবেদক

খেলোয়াড়ি জীবনে শিরোপা জিতেছেন। প্রশিক্ষক হিসেবে দলকে ট্রফি উপহার দিয়েছেন। কিন্তু গতকাল মাগুরায় বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবলে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর শফিকুল ইসলাম মানিক যেভাবে উৎসব করলেন তা কখনো দেখা যায়নি। গত মৌসুমে মাঝপথে শেখ রাসেলের প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পান। কিন্তু পেশাদার লিগে তার দল শক্ত অবস্থানে ছিল না। নামি-দামি খেলোয়াড় নিয়েও অবস্থান ছিল আটে। যে দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা তাদের কিনা এই হাল? সমর্থকরা স্বাভাবিকভাবে তা মেনে নিতে পারেননি। সামনেই নতুন মৌসুম আসছে। যে কোনো সময় দল-বদলের তারিখ ঘোষণাও হতে পারে। সন্দেহ নেই শেখ রাসেল সেরা দল গড়বে। ক্লাব চেয়ারম্যান বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান ফুটবল দলের মঙ্গলে যা যা করা দরকার সেই নির্দেশও দিয়েছেন। সেভাবে এগোচ্ছেন পরিচালকরা।

তবে দলের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে নতুন মৌসুমের আগে শেখ রাসেলের প্রয়োজন ছিল একটা ট্রফি। ভাগ্য এবার বিদ্রোহ করেনি। মাগুরা বঙ্গবন্ধু কাপে শিরোপা উৎসবে মেতেছে শেখ রাসেল। ফাইনালে টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে জিতে ফুটবলে আরেকটি ট্রফি ঘরে তুলল শেখ রাসেল। অবশ্য খেলা এতদূর গড়ানোর কথা নয়। সহজ সহজ সুযোগ নষ্ট করায় নির্ধারিত সময় গোল পায়নি শেখ রাসেল। ফুটবলে নৌবাহিনী পরিচিত দল নয়। তবে বঙ্গবন্ধু কাপ টুর্নামেন্টে যে মানের দল গড়ে তাতে শক্তির দিক দিয়ে ফাইনালে তারাই এগিয়ে ছিল।

লিগে অনেক জেতা ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করে পিছিয়ে গেছে শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধু কাপ ফাইনালে শেখ রাসেল খেলেছে শেখ রাসেল রূপেই। শিরোপা ট্রফি বিতরণের সময় মঞ্চে উঠে যান মানিক। ট্রফি স্পর্শ করার সে কি তৃপ্তির হাসি। বললেন, কোচ হিসেবে অনেক ট্রফি উপহার দিয়েছি। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কাপের মতো উচ্ছ্বাস করিনি। আসলে এই শিরোপাটা আমাদের জরুরি হয়ে পড়েছিল। সামনের নতুন মৌসুমে এই ট্রফি শেখ রাসেলকে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

তিনি বলেন, আমরা মাঠে খেললেও মূল নায়ক কিন্তু ক্লাব চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান স্যার। হাজারও ব্যস্ততার মধ্যে তিনি ক্লাবকে যে সময় দেন তা সত্যিই অতুলনীয়। তিনি আমাদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছেন। যে কারণে ট্রফি জেতা সম্ভব হয়েছে। খেলোয়াড়দেরও ধন্যবাদ জানাই তারা টুর্নামেন্টে জানপ্রাণ দিয়ে লড়েছে।’



এই পাতার আরো খবর