ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৮

আজকের পত্রিকা

মহাকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে মানুষের তৈরি ‘তারা’!
অনলাইন ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি

সেই আদিম যুগ থেকেই মানুষের শিল্প সৃষ্টির শুরু গুহাচিত্র দিয়ে। এবার মহাকাশে সম্পূর্ন একটি ‘তারা’ তৈরি করে ভাসিয়ে দিল মানুষ। যার জন্মের সঙ্গে মিশে রয়েছে মানুষের হাসি। এর নামও তাই ‘লাফিং-স্টার’ অর্থাৎ ‘হাসি-তারা’ ।

পৃথিবীর বাইরে মানুষের তৈরি এটি প্রথম শিল্পকীর্তি। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ জানাচ্ছে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র (আইএসএস)-এ যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম তৈরির জন্য থ্রি-ডি প্রিন্টার রয়েছে। যা দিয়ে কোনও বস্তুর ত্রিমাত্রিক প্রতিকৃতি তৈরি করা যায়। কাজটা শুরু হয়েছিল মানুষের হাসি রেকর্ড করার একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। প্রত্যেকের হাসির শব্দতরঙ্গের অনুকরণে থ্রি-ডি প্রিন্টারে তৈরি হয় এক-একটি বলয় বা প্যাটার্ন। প্রায় এক লক্ষ মানুষের হাসি থেকে বেছে নেওয়া হয়েছিল নটিয়া জেন স্ট্যানকো নামে এক মার্কিন নাগরিকের হাসি। তা দিয়ে আইএসএসে তৈরি করা বলয় এখন মহাকাশে ভাসছে হাসি-তারা হয়ে।

এই ভাবনাটি আসে ইসরায়েলি শিল্পী ইয়াল গেভারের কাছ থেকে। নাসা সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে আরও কয়েক জন বিখ্যাত শিল্পীর সৃষ্টি ঠাঁই পাবে মহাকাশের গ্যালারিতে।

 

 

বিডি-প্রতিদিন/ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/ আব্দুল্লাহ সিফাত



এই পাতার আরো খবর