Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:৪০
টেলিভিশন জনগণের বন্ধু
ফরিদুর রেজা সাগর
টেলিভিশন জনগণের বন্ধু
শিল্পকর্ম : শিল্পী শাহাবুদ্দিন

দশ বছর আগে পর্যন্ত টেলিভিশন ছিল সম্পূর্ণভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। স্বায়ত্তশাসন, পাকিস্তান টেলিভিশন সার্ভিস, শুধু বাংলাদেশ টেলিভিশন— যে নামেই টেলিভিশনের পরিচয় থাকুক না মূলত টেলিভিশন ছিল সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন মাধ্যম।

সরকারি কার্যক্রম প্রচারের জন্য সরকারের সব সময় প্রয়োজন গণমাধ্যম। এই গণমাধ্যম দিয়ে সরকার চেষ্টা করেছে তার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে জনগণের কাছাকাছি নিয়ে আসতে।

এক সময় চলচ্চিত্র ছিল এদেশের মানুষের কাছে পৌঁছানোর একমাত্র ভিজুয়াল মাধ্যম। ভিড় করে লোকে সিনেমা দেখত। কাজী জহিরের ‘অবুঝ মন’ একটানা এক বছর চলেছিল ঢাকার আজাদ সিনেমা হলে। প্রতিদিন যে তিনটা শো হতো তার সবগুলো শো ছিল হাউসফুল। ঢাকার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছিল ঢাকা স্টেডিয়ামের টিকিট কাউন্টার থেকে। চলচ্চিত্রের এই দুর্দান্ত জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগানোর জন্য পাকিস্তান আমলে তৈরি করা হয় ‘চিত্রে পাকিস্তানি খবর’। পরবর্তী পর্যায়ে তৈরি হয় ‘চিত্রে বাংলাদেশি খবর’।

সব সিনেমা হলে এই সংবাদচিত্র দেখানো বাধ্যতামূলক ছিল।

‘চিত্রে বাংলাদেশি খবর’ তৈরি হতো তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এই শাখার বর্তমান নাম ডিএফপি। মাস কমিউনিকেশন বলে সরকারের আরও একটি বিভাগ রয়েছে যারা সরকারের কৃতিত্ব ও সাফল্যের সংবাদ তৈরি করে। সরকারি নানা প্রতিষ্ঠান থেকে আগে প্রজেক্টার দিয়ে গ্রামেগঞ্জে নানা জায়গায় নানা রকম ছায়াছবি বিশ পয়সায় দর্শকদের দেখানো হতো। ছবির সঙ্গে থাকত উন্নয়নমূলক এসব চিত্র। পরে সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো শুধু চলচ্চিত্রে নয়, এসেছে গানে, শিল্পীরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য নানা সংগীত নিয়ে সরাসরি শ্রোতাদের কাছে উপস্থিত হতেন। অবশ্য পরে অডিও বা ভিডিওতে রেকর্ড করেও এসব গান শ্রোতাদের শোনানো হতো, দর্শকদের দেখানো হতো।

পৃথিবীতে যে কারিগরি সুবিধা এসেছে সেটাই জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য কিংবা সরকারি প্রচার কাজে সহায়তা করার সুবিধাটুকু সরকার সব সময় গ্রহণ করেছে। আমাদের দেশে টেলিভিশনের আগমন মূলত সেরকম কারণকে কেন্দ্র করে। পাকিস্তান সরকারের উদ্দেশ্য ছিল ডিএফপি কিংবা মাস কমিউনিকেশনের মতো আরেকটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা। উল্লেখ্য, সে সময় সরকারি প্রচারমাধ্যম হিসেবে রেডিওতে বুনিয়াদি গণতন্ত্রের আসর কিংবা উন্নয়নের এক দশক জাতীয় অনুষ্ঠান সব সময় প্রচারিত হতো। টেলিভিশনকেও সেই রকম একটি প্রচারযন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য এর রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়।

জামিল চৌধুরী কিংবা অন্যান্য বাঙালি সরকারি কর্মকর্তারা ১৯৬৪ সালে মনে করছিলেন তাদের যুক্তির জোরে, লেখনীর জোরে শুধু পাকিস্তানেই নয়, উপমহাদেশের প্রথম টেলিভিশন কেন্দ্র হতে যাচ্ছে ঢাকায়। এখন তাদের কাজের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে বলতে হয়, পাকিস্তানি কট্টরপন্থি আমলারা ভেবেছিলেন রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপন করলে মন্দ হয় না। কিন্তু সব সময় সব পরিকল্পনা ঠিক থাকে না। একটি ডিএফপি তৈরি করার স্বপ্ন নিয়ে যে টেলিভিশন কেন্দ্র তৈরি করা হলো এদেশে সেই টেলিভিশন কেন্দ্রের সঙ্গে এমন কয়েকজন বাঙালি জড়িয়ে গেলেন যারা টেলিভিশনকে সত্যিকারের একটি গণমাধ্যম তৈরির স্বপ্ন দেখতেন। জামিল চৌধুরী, কলিম শরাফী, জামান আলী খান, মুস্তাফা মনোয়ার, মনিরুল আলম, আবদুল্লাহ আল মামুন এসব মানুষ টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে টেলিভিশনকে রাতারাতি নিয়ে গেলেন জনগণের কাছে। একই সঙ্গে ছায়ানটের মতো প্রতিষ্ঠান, মুনীর চৌধুরী, নূরুল মোমেনের মতো সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিত্বরা নানা অনুষ্ঠান তৈরি করে দর্শকদের মন জয় করে নিলেন। নেপথ্য পরিকল্পক হিসেবে টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো ব্যক্তিত্বরা। আজ বলতে দ্বিধা নেই, এসব মানুষের কারণে টেলিভিশন সরকারি বলয় থেকে বেরিয়ে জনগণের কাছাকাছি...

আজ জনগণের টেলিভিশনের কাছে অনেক প্রত্যাশা। এই প্রত্যাশার কারণ, শুধু সেইসব দিনের এইসব মানুষের দায়বদ্ধতা, শ্রম-নিষ্ঠা ও নতুন দিনের স্বপ্ন। নতুন দিনের স্বপ্ন মিলিয়েই টেলিভিশনের আজকের এই রূপ।

বাংলাদেশে এখন বিটিভি ছাড়াও প্রায় এক ডজন স্যাটেলাইট চ্যানেল রয়েছে। স্যাটেলাইট টেলিভিশন চালানো অনেক কঠিন ব্যাপার। মাঝে মাঝেই বলা হয় যত দিন পর্যন্ত বিদেশি চ্যানেলগুলোর দীনতা কাটবে না। এই দৈন্য কিসের? দর্শক কি এখনো শুধু কারিগরি দক্ষতা, ঝকঝকে ট্রান্সমিশনের ওপর নির্ভর করে টেলিভিশন দেখে? উত্তর : অবশ্যই দেখে। কিন্তু তার সঙ্গে অনুষ্ঠানের বক্তব্য, কাহিনীর বুনোট অবশ্যই শক্ত হতে হবে। যদিও একটা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আজ পর্যন্ত টিভির পর্দায় সবচেয়ে বেশিসংখ্যক দর্শক যে অনুষ্ঠানটি দেখেছেন সেটার কারিগরি মান তেমন উন্নত ছিল না। এমনকি পর্দার ছবিও ততটা স্পষ্ট ছিল না। কিন্তু তারপরও এই অনুষ্ঠান দেখার জন্য দর্শকের আগ্রহের কমতি ছিল না। এই অনুষ্ঠানটি ছিল মানুষের প্রথম চাঁদে নামার দৃশ্যটি। এমনি আরও অনেক অনুষ্ঠানের কথা বলা যায়, যে অনুষ্ঠানগুলো নিজের মেরিটের কারণে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে।

তবে আমাদের টেলিভিশনের নির্মাতারা তাদের সমস্ত মেধা ও মনন নিয়ে চেষ্টা করেছেন দর্শকদের মন জয় করতে। আজকে ডিআইটির স্টুডিওতে কাউকে নিয়ে গেলে এক কথায় বলে বসবে, এখানে অনুষ্ঠান তৈরি অসম্ভব। কিন্তু ডিআইটি থেকে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দর্শকদের মন জয় করা শুরু করেছিল। মুস্তাফা মনোয়ার কিংবা মনিরুল আলম ‘চণ্ডালিকা’র মতো নৃত্যনাট্য কী করে ডিআইটির ছোট্ট স্টুডিওতে তৈরি করেছিলেন, সেটা আজ গবেষণার বিষয় হতে পারে।

‘মুখরা রমণী বশীকরণ’-এ শিল্পীদের পোশাক দেখলে বিস্ময়ের সঙ্গে ভাবতে হয়—এই ইউরোপীয় পোশাক মুস্তাফা মনোয়ার সেই সময় কোথায় পেয়েছিলেন? ওই সময় টেলিভিশনের যে বাজেট, সেই বাজেটে সবার জন্য পোশাক তৈরি সম্ভব ছিল না। ছিল না সেই রকম পোশাক ভাড়া করার কোনো প্রতিষ্ঠান। মুস্তাফা মনোয়ার বুদ্ধি করে যাত্রার যে পোশাক ভাড়া পাওয়া যেত সেই পোশাক নিয়ে এসে পায়জামাকেই উল্টো দিক থেকে শিল্পীদের হাতে পরিয়ে দিয়েছিলেন। সেটাই মনে হচ্ছিল, ভেনিসের ঢিলেঢালা কোনো জামা পরনে। আবদুল্লাহ আল মামুন সাহস করে সেই সময় ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন হেলিকপ্টার থেকে নেওয়া দৃশ্য। এসব স্বপ্নাক্রান্ত মানুষের স্বপ্নপূরণের কারণেই টেলিভিশনের জনগণের কাছে যাওয়া। আর দশটি সরকারি মাধ্যমের মতো টেলিভিশন পরিণত হয়নি সম্পূর্ণ সরকারি প্রচারযন্ত্রে। টেলিভিশন নিয়ে তাই এখনো দর্শকদের আগ্রহ, পাঠকদের আগ্রহ।

উপমহাদেশের প্রথম টেলিভিশন হিসেবে যে ঢাকা টেলিভিশন কেন্দ্র যাত্রা শুরু করেছিল, সেই ঢাকা থেকে এখন একজন স্যাটেলাইট টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রচার করলেও এই টেলিভিশন কেন্দ্রগুলো সত্যিকারভাবে ব্যাপক অর্থে দর্শকদের কাছে পৌঁছতে পারছে না। প্রায় শোনা যায়, দর্শক ঝুঁকে পড়ছে হিন্দি চ্যানেলগুলোর দিকে।

এ কথা সত্যি যে, হিন্দি চ্যানেল বা হিন্দি ছবির দাপট পৃথিবীব্যাপী। এই দাপট একদিনে আসেনি। ছায়াছবির জগতের কথা আলোচনা না করে শুধু যদি টেলিভিশনের কথায় আসি, ভারতবর্ষের দর্শকদের উদ্দেশ্যে এই মুহূর্তে অন্তত ২০০ চ্যানেল তাদের অনুষ্ঠান প্রচার করে যাচ্ছে। এর মধ্যে হিন্দি চ্যানেলের সংখ্যাও প্রচুর। চলচ্চিত্রে বড় বড় দামি নায়ক-নায়িকারা যারা এক সময় ছোট পর্দার কথা শুনে দূরে চলে যেতেন তারা এখন পরম আগ্রহ নিয়ে ছোট পর্দায় অনুষ্ঠান করে যাচ্ছেন। অমিতাভ বচ্চনের মতো সর্বকালের সেরা সুপারস্টারও এখন টিভি পর্দার উপস্থাপক। একই পথ ধরে শাহরুখ খান দর্শকদের জন্য নিয়ে এলেন পাঁচ কোটি টাকার কুইজ শো। চ্যানেলে চ্যানেলে প্রতিযোগিতা থাকায় শাহরুখ খানের পাঁচ কোটি টাকার শো ধূলিসাৎ করার জন্য আরেকটি চ্যানেল সালমান খানকে নিয়ে শুরু করতে যাচ্ছেন দশ কোটি টাকার আরেকটি গেম শো।

ভারতীয় চ্যানেলগুলোতে যখন সুপারস্টারদের নিয়ে এত বিশাল অংকের বাজেটের গেম শো চলছে তখন বাংলাদেশের টেলিভিশনের পর্দায় যে গেম শোগুলো চলছে তাতে নগদ টাকার উপহার দেওয়া যায় কিনা-তা নিয়ে নির্মাতারা এখনো গবেষণা করে যাচ্ছেন। অথচ উপমহাদেশের প্রথম টেলিভিশন স্টেশন হিসেবে ঢাকা টেলিভিশনই প্রথম দর্শকদের জন্য টাকা উপহার দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেছিল। ১৯৬৬-৬৭ সালে ফজলে লোহানী তার ‘যদি কিছু মনে না করেন’ অনুষ্ঠান বিজয়ীদের দুই টাকা থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দিতেন। প্যাকেজ নাটক যখন প্রথম শুরু হয় তখন এমন নাটকও তৈরি হয়েছে যে নাটক বিক্রি হয়েছে পাঁচ লাখ টাকায়। মৌসুমী এবং আফজাল হোসেনকে নিয়ে একটা নাটক তৈরি হয়েছিল কক্সবাজারে। সেই নাটকটিও বিক্রি হয়েছিল প্রতি মিনিট লাখ টাকার উপরে। যে সময় টেলিভিশনে নাটকগুলো এত চড়ামূল্যে বিক্রি হতো সেই সময় অধিকাংশ নাটকের কলাকুশলী ছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের কর্মী। তিন মাসের বেতনের টাকা নিয়ে যেতেন তারা একেকটি নাটক থেকে। প্যাকেজ নাটকের প্রথম থেকে যেসব অভিনয়শিল্পী তারকাখ্যাতি পেয়েছিলেন তাদের অধিকাংশ টেলিভিশনে যে টাকা পেতেন তার চেয়ে দুই বা তিনগুণ পারিশ্রমিক নিতেন প্যাকেজ নাটকে।

একই সময় মুম্বাইতে যেসব ডেইলি সোপ ‘জিটিভি’তে দেখানো হতো সেগুলোর খরচ অবিশ্বাস্য রকম কম ছিল। প্রতি মিনিট এক হাজার টাকা। এই হিসাবে বিশ থেকে পঁচিশ হাজার টাকায় তৈরি হতো সিরিয়ালের একেকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। তারা বলে একটি সিরিজ সপ্তাহে তিন দিন প্রচার হতো জিটিভিতে। জনপ্রিয় সিরিজটির মূল ভূমিকায় অর্থাৎ ‘তারা’ চরিত্রটিতে অভিনয় করতেন নবনীত নিশান্ত। তিনি এর প্রতি পর্বে অভিনয়ের জন্য নিতেন দুই হাজার টাকা। একই সিরিজে অবতারগিল বা অলোকনাথের মতো বড় বড় শিল্পীরা নিতেন এক হাজার টাকা। মুম্বাই সিরিয়াল-এ সেইদিন এখন আর নেই। একতা কাপুর ষোলো-সতেরো মিনিটের একেকটি সিরিজ নাটক তৈরি করতে নেন ছয় থেকে সাত লাখ টাকা। তারপরও বিজ্ঞাপনের জায়গা পাওয়া যায় না। বিশ হাজার টাকার সিরিজ প্রচার করে যে মুম্বাইতে টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় আজ সেখানকার সিরিজের মূল্যমান পনেরো গুণ বেশি। আর আমাদের বাংলাদেশ টেলিভিশনের নাটক এখন কমে এসেছে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকায়। টাকার তুলনায় এই পিছিয়ে থাকার অর্থ মানের দিক দিয়ে আমাদের নাটক পিছিয়ে আছে—এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। কিন্তু সঠিক নেতৃত্বের অভাবে, পরিকল্পনার অভাবে টেলিভিশনের যাত্রার শুরুটা আনন্দের হলেও যাত্রাপথটা মোটেও আনন্দের হচ্ছে না। বিশেষ করে যাত্রাপথের যারা কাণ্ডারী তারা মোটেই স্বস্তিদায়ক অবস্থায় নেই। যারা এই অগ্রযাত্রা অবলোকন করছেন, টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখছেন, কখনো তারা দু-একটি অনুষ্ঠান দেখে আবেগে আপ্লুত হচ্ছেন, বড় বড় কথা বলছেন, কিন্তু সত্যিকারভাবে আমাদের টেলিভিশনের অনুষ্ঠানের মানোন্নয়নের জন্য, অগ্রযাত্রার জন্য এখন বড়ই প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও বিশ্বস্ত নেতৃত্ব। তাহলে টেলিভিশন সত্যিকার অর্থে জনগণের বন্ধু হয়ে তাদের সঙ্গে অবস্থান করবে।

 

 লেখক : মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

up-arrow