Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:৩১ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:৪২
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কোটার আহ্বায়ককে গালিগালাজ, ছাত্রলীগের দু'গ্রুপে উত্তেজনা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
কোটার আহ্বায়ককে গালিগালাজ, ছাত্রলীগের দু'গ্রুপে উত্তেজনা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে বিশেষ কোটায় ভর্তি উপ-কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিনকে গালিগালাজ ও তার অফিস কক্ষে লাথি মারার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার সকাল ১১ টার দিকে ব্যবসায় প্রশাসন ভবনে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে এঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমার দাস ও সহ সভাপতি মিজানুর রহমান মিজু গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানান যায়, সকাল ১১ টার দিকে ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহিনের নেতৃত্বে আপ্যায়ণ বিষয়ক সম্পাদক রিজভি হাসান পাপন, ছাত্রলীগ কর্মী মেহেদী হাসান, সুজয় ব্যবসায় প্রশাসন ভবনে যায়। তারা বিশেষ কোটা উপ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিনের কক্ষের সামনে গিয়ে তাকে বিভিন্ন কটুক্তি করে বিভিন্ন গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা কক্ষের দরজায় লাথি মারতে থাক। এসময় ড. সেলিনা নাসরিন বেরিয়ে আসলে তারা চলে যায়। পরে বিষয়টি নিয়ে মিজানুর রহমান মিজু গ্রুপের কর্মী ও হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র তূর্যের সাথে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীদের কথা কাটাকাটি হয়। এসময় সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা তূর্যকে চড় থাপ্পড় মেরে ভবন থেকে ছাত্রলীগের টেন্টে চলে আসে। পরে সাড়ে ১১ টার দিকে মিজু গ্রুপের কর্মীরা একেত্রিত হয়ে টেন্টে আসলে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। এসময় দু’গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে উচ্চবাচ্য বিনিময় হয়।

পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দুই গ্রুপ দুই দিকে চলে যায়।
ছাত্রলীগের একটি অংশ জানান যুগ্ম সম্পাদক শাহিন কোটায় তার নিজস্ব প্রার্থীকে ঢুকাতে অমিতের সহযোগীতায় কোটার আহ্বায়ককে বিভিন্ন ভাবে চাপ দিয়ে আসছে। তবে কোটায় তার প্রার্থী উত্তীর্ণ না হওয়ায় তারা ম্যাডামের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিন বলেন, ‘আমার রুমের দরজায় আওয়াজ শুনে আমি বাইরে আসি। কারা এটা করেছে আমি তাদের দেখতে পায়নি। তবে বিষয়টি আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও প্রশাসনকে জানিয়েছি।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

আপনার মন্তব্য

up-arrow