Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৪ মার্চ, ২০১৮ ১৭:৩৭ অনলাইন ভার্সন
বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে রাবিতে শোক র‌্যালি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে রাবিতে শোক র‌্যালি
bd-pratidin

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক শিক্ষার্থী ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. ইমাম হাসানসহ নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে শোক র‌্যালি করেছে পঞ্চগড় জেলা সমিতি। বুধবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে এই র‌্যালি শুরু হয়।

ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে র‌্যালিটি পুনরায় গ্রন্থাগারের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

সমাবেশে রাবি ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (টিএসসিসি) পরিচালক ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসিবুল আলম প্রধান বলেন, নেপালে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ ঘটনা। গণমাধ্যমে জানা যাচ্ছে, বৈমানিক ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগের বিভ্রান্তির কারণে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা যাই হোক না কেন, এত বড় হতাহতের ঘটনায় আমরা সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।

জেনেটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক অনীল চন্দ্র দেব বলেন, হাসান ইমাম একজন সদালাপী মানুষ ছিলেন, সব সময় মুখে হাসি লেগেই থাকতো। তিনি আমাদের পঞ্চগড় জেলার একজন কৃতি সন্তান। তার এভাবে চলে যাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। হাসান ইমামসহ এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

পঞ্চগড় জেলা সমিতির সভাপতি এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম রবির সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক শেরেজ্জামান, ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক সতীশ চন্দ্র বর্মণসহ বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) শিক্ষার্থী খুর্শিদ রাজীব।

প্রসঙ্গত, মো. হাসান ইমাম তিন বছর আগে ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব থেকে অবসর নেন। এর আগে তিনি শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক ছিলেন। তার বাড়ি পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারি উপজেলায়।

গত সোমবার অবকাশ যাপনের জন্য হাসান ইমাম তার স্ত্রী সাবেক কলেজ শিক্ষিকা বিলকিস বানু, তাদের বন্ধু সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী সাবেক কলেজ শিক্ষিকা আক্তারা বেগমসহ নেপালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিলেন। তারা চারজনই রাবির অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। সোমবার দুপুরে তাদের বহনকারী ইউএস-বাংলার বিমানটি ৭১ জন আরোহী নিয়ে কাঠমন্ডুর ত্রিভূবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়। এ দুর্ঘটনায় অন্তত ৫০ জন নিহত হন।

বিডি প্রতিদিন/১৪ মার্চ ২০১৮/এনায়েত করিম

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow