Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৯:০৫ অনলাইন ভার্সন
বাকৃবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইলিশের জীবনরহস্য ঘোষণা
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
বাকৃবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইলিশের জীবনরহস্য ঘোষণা
bd-pratidin

প্রথমবারের মতো ইলিশের জীবন রহস্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর। প্রথমবারের মতো ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকেয়েন্সিং এবং ডি নোভো এসেম্বলী সম্পন্ন শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেয়া হয়। আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. সামসুল আলম ও সহযোগী গবেষক অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা।
অধ্যাপক ড. মুহা. গোলাম কাদের খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর। 
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদসহ ইলিশের জীবনরহস্য উন্মোচনকারী গবেষকরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও বৈজ্ঞানিকবৃন্দ। 

এসময় গবেষকরা বলেন, আমরা ১০ সেপ্টেম্বর আবিষ্কারটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করার জন্য অনেকদিন যাবত কাজ করছি। আমাদের গবেষণাটি অনেক আগে সম্পন্ন করেছি এবং বিভিন্ন স্থানে তার প্রমান রয়েছে।  আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যান্ড কমিশনের একটা সুপার কম্পিউটার আছে যা অনেকেরই অজানা যেটা আমাদের গবেষণায় ব্যাপক সহায়তা করেছে। 

বক্তারা আরও বলেন, আবিষ্কারের এটা মাত্র সূচনা ঘটেছে। আবিষ্কারটি বুঝতে ও সফলতা পেতে আমাদের আরো সময় লাগবে। আমাদের এর সুফল পেতে আরো ধারাবাহিক গবেষনা করা প্রয়োজন। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ সামছুল আলমের  নেতৃত্বে গবেষকদলের অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা, বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শহিদুল ইসলাম  ও ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড জেনেটিক্স বিভাগের প্রফেসর ড. মুহা. গোলাম কাদের খান।

এ গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলদেশের মৎস্য সেক্টর পূর্ণাঙ্গ জিনোম গবেষণার যুগে প্রবেশ করলো এবং আমাদের সক্ষমতা আছে তা প্রমাণ করলো বলে জানিয়েছেন প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম।  এরপূর্বে দেশী ও বিদেশী গবেষকদের সমন্বয়ে পাট ও মহিষের জীবন রহস্য উন্মোচন হয়েছে। ইলিশের ক্ষেত্রেই দেশীয় বিশেষজ্ঞরা এমন সাফল্য অর্জন করলো। যা মৎস্য সেক্টরে যুগান্তকারী যুগের সৃষ্টি করবে বলে গবেষকদের দাবি। 

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow