Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৮:৫৪ অনলাইন ভার্সন
একাদশ জাতীয় নির্বাচন
চবি ক্যাম্পাসে সরব ছাত্রলীগ, কৌশলী ছাত্রদল
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
চবি ক্যাম্পাসে সরব ছাত্রলীগ, কৌশলী ছাত্রদল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনগুলোর সরব উপস্থিতি লক্ষণীয়। ক্যাম্পাসে একের পর এক শো-ডাউন আর মিছিল মিটিংয়ে ব্যস্ত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে, কৌশলী ভুমিকায় আর্বিভাব ছাত্রদলের। আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস দখলে ছাত্রলীগের। এছাড়াও ডার্কে থাকা ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের দেখা যাচ্ছে ক্যাম্পাসে।

জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বেগম খালেদা জিয়া হলের নাম ফলক মুছে দেয়। সেই সঙ্গে ওই হলের নাম পরিবর্তন করে বীর প্রতিক তারামন বিবির নাম রাখার দাবি জানান তারা। এ ঘটনার ২৪ ঘন্টা পার না হতেই শাখা ছাত্রদলের পক্ষে থেকে পাঠানো হয় নিন্দার বার্তা। শুধু নিন্দার বার্তা দিয়ে তারা শান্ত হননি। পরের দিন ছাত্রলীগের চোখকে ফাঁকি দিয়ে চবি প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বরাবর দোষীদের শাস্তির দাবিতে স্বারক লিপিও দেয় ছাত্রদল। 

এরপর ক্যাম্পাসে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসে কয়েক দফা মিছিল বের করে। ক্যাম্পাস জুড়ে খুঁজতে থাকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের। পরে লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক তালিমুল সায়েমকে বেধড়ক মারধর করে শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। 

এ ঘটনায় সাথে প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরীর যোগসাজস আছে বলে দাবি করে ছাত্রদল। একজন শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ ও সেই শিক্ষার্থীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলে প্রতিবাদলিপি দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। সেই সাথে প্রক্টরের পদত্যাগও দাবি করে তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মিযানুর রহমান বিপুল বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা নাশকতার উদেশ্যে ক্যাম্পাসে আসে। যেটি তাদের এক নেতা ইতিমধ্যে স্বীকার করেছে। আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে বদ্ধ পরিকর।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, যেহেতু প্রক্টর একজন পরীক্ষার্থীকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তার অফিসে একজন ছাত্রকে নির্যাতনের সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি একটি মিথ্যা রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে দিয়েছেন তাই তার প্রক্টর পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।

সার্বিক বিষয়ে চবি প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ক্যাম্পাস স্বাভাবিক রয়েছে। ক্যাস্পাস অস্থিতিশীলকারী কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।


বিডি প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত
up-arrow