Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:১৫
গাইড লাইন
ক্যারিয়ার ডেস্ক

বিজনেস বা টেকনিক্যাল গ্রাজুয়েটদের কোনো প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন সময়ে কোনো একটি বিষয়ে কাজ করাকে ইন্টার্নশিপ বলা হয়। ইন্টার্নশিপ হলো পড়াশোনার একটি অন্যতম অংশ। কারণ ইন্টার্নশিপ রিপোর্টে জমা দেওয়ার পরই একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চূড়ান্ত সনদ পায়। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ যে বাধ্যতামূলক তা নয়। একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন একেক রকম। এমবিএ প্রোগ্রাম ইন্টার্নশিপ সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকলেও আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে কয়েকটি বিষয়ে ইন্টার্নশিপ মোটামুটি বাধ্যতামূলক। প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই সময়ে অনেক চাকরিদাতারা প্রতিষ্ঠান শিক্ষানবিসদের প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে। ফ্রেশ ইনপুট হিসেবে এরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজকর্ম ভালোভাবে আয়ত্ত করে বলেই এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চালু রয়েছে।

ইন্টার্নশিপ বেনিফিট :

যারা ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে, তারা তো বটেই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারও সমভাবে উপকৃত হয়। ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যাচাই-বাছাইয়ের যথেষ্ট সুযোগ থাকে। ফলে স্থায়ীভাবে রিক্রুটমেন্টের সময় যারা ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে অংশ নেয় তাদের মধ্যে যারা চাকরির সুযোগ পায় তারা সত্যিকার অর্থে কোম্পানির ভালোমন্দ সম্পর্কে নতুনদের চেয়ে বেশি বোঝে।

ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের করণীয় : ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের বেশ কয়েকটি ব্যাপারে মনোনিবেশ করতে হয়। এ ব্যাপারগুলো ভালোভাবে রপ্ত করতে পারলে ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামকে সফল বলা হয়।

উদ্দেশ্য : কিছু কিছু ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম আছে যেগুলো আসলেই স্ট্রাকচার। সুতরাং ইন্টার্নশিপ শুরুর আগে শিক্ষার্থীদের উচিত কোনো ক্ষেত্রে সে দক্ষতা অর্জন, নতুন কিছু আয়ত্ত এবং নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চায়। এখানে একটি কথা না বললেই নয়, তা হলো— এমন কিছু আশা করা উচিত নয় যা অর্জন করা সম্ভব নয়।

প্রত্যেক দিন মিটিং :

ইন্টার্নশিপের সময় একজনের অধীনে বা তত্ত্বাবধানে ইন্টার্নশিপ করতে হয়। সুতরাং সুপারভাইজারের সঙ্গে সদভাব রাখতে হবে। আইডিয়া শেয়ারিংয়ে সুপারভাইজারের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। এতে সুপারভাইজারের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow