Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • মধ্যরাতে তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চার মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছে। এরমধ্যে কুমিল্লায় ২ জন, চুয়াডাঙ্গা ও চট্টগ্রামে একজন করে নিহত হয়েছে।
  • কক্ষপথে পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২০:৩৪ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:০৩
চট্টগ্রামে প্রশ্ন ফাঁস
অভিভাবকের জিম্মায় ১১ শিক্ষার্থীর জামিন
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
অভিভাবকের জিম্মায় ১১ শিক্ষার্থীর জামিন

চট্টগ্রামে এসএসসি পরীক্ষা শুরুর আগে মোবাইলে প্রশ্নপত্র পাওয়ায় ঘটনায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এক লাখ টাকার বন্ডে অভিভাবকের জিম্মায় ১১ জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ (শিশু আদালত) জান্নাতুল ফেরদৌস এ নির্দেশ দেন। তাছাড়া একই ঘটনায় একজন শিক্ষককে রিমান্ডের আবেদন করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
জানা যায়, আজ দুপুরে মহানগর দায়রা জজ (শিশু আদালত) এর আদালতে পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্রসহ আটক ১৩ জনকে হাজির করা হয়। এ সময় উপস্থিত অর্ধশত আইনজীবী শিক্ষার্থীদের জামিন দেওয়ার অনুরোধ করে শুনানিতে অংশ নেন। পরে আদালত তাদেরকে অভিভাবকের জিম্মায় জামিন দেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. মনজুর আহমদ আনসারী বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের জামিন চাইলে আদালত শুনানি শেষে অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের জামিন দেন। তবে আজ একজনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। তাছাড়া আগামী ধার্য্য তারিখে মা-বাবা নিজ দায়িত্বে ১১ জনকে আদালতে হাজির করবেন।’  

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগেই নগরীর ওয়াসা মোড়ে মোবাইলে প্রশ্নপত্রসহ এক শিক্ষক ও ২৪ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে মোবাইল ও খাতা পাওয়ায় ৯ শিক্ষার্থী এবং তাদের আনা-নেওয়ার দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৯(খ)/১৩ ধারায় বাওয়া স্কুল কেন্দ্রের সুপার বাদী হয়ে আইডিয়াল স্কুলের ৯ শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকাকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।

এদিকে, থুলশী থানায় পুলিশ লাইন্স ইনস্টিটিউটের কেন্দ্রের দুই পরীক্ষার্থীর বাবাসহ পরীক্ষা শুরুর আগে মোবাইল ফোন থেকে প্রশ্ন বের করে উত্তর মেলাচ্ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে অন্য অভিভাবকরা হৈ চৈ করলে তিনি মোবাইল রেখে পালিয়ে যান। পরে পরীক্ষার্থী ওই দুই বোনকে বহিস্কার ও গ্রেফতার করে তাদের বাবা এমরান হোসেনসহ তিনজনকে আসামি করে পুলিশ লাইন্স ইনস্টিটিউটের কেন্দ্রের সচিব বাদি হয়ে একটি মামলা করেন। 

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow