Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৫৭ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ২১:৩৭
মুক্তিপণের দাবিতে খালাতো ভাইকে অপহরণ, জবাইয়ের আগ মুহূর্তে উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক
মুক্তিপণের দাবিতে খালাতো ভাইকে অপহরণ, জবাইয়ের আগ মুহূর্তে উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামে আপন খালাতো ভাইকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবিতে জবাইয়ের ঠিক আগ মুহূর্তে গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতে প্রাণে বেঁচে গেছেন মো. সাদেক ছোবহান সাকিব নামে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। 

মঙ্গলবার নগরের লোহাগাড়ার আমিরাবাদ বটতলী এম কে আবাসিক হোটেলের ৩০৪ কক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এসময় এ ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।  

গ্রেফতার মো. জাহাঙ্গীর আলম জয় লোহাগাড়া উপজেলার সুখছড়ি গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে। 

এদিকে, জবাইয়ের আগ মুহূর্তে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া সাকিব সাতকানিয়ার করাইয়ানগর গ্রামের ফৌজুল কবীরের ছেলে। তিনি চন্দনাইশের বিসিজি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে সাকিবের চাচা ব্যবসায়ী মো. ফরিদুল আলম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য বের হয়েছিল সাকিব। ভোরে তাকে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক অপহরণ করে একদল অপহরণকারী। বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত সাতকানিয়া থানায় অভিযোগ জানানো হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। এরপর সাতকানিয়া থানা পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।’

অভিযানের শুরুতেই পুলিশ একটি মোবাইল নম্বর নিয়ে কাজ শুরু করে। ওই নম্বর থেকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সাকিবের পরিবার পরবর্তীতে নগর গোয়েন্দা পুলিশেও একই অভিযোগ জানায়। ফলে নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মঈনুল ইসলামের সঙ্গে যুক্ত হয় সাতকানিয়া থানা পুলিশের একটি টিমও।

অভিযানকারী দল কৌশলে অপহরণকারীদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। এক পর্যায়ে অভিযানকারী দল নিশ্চিত হয় অপহরণের সঙ্গে সাকিবের আপন খালাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম জয় যুক্ত থাকতে পারেন। 

পরে পুলিশ একটি সূত্র থেকে ওই আবাসিক হোটেলের ৩০৪ নম্বর কক্ষে অভিযান চালিয়ে সাকিবকে উদ্ধার করে। এসময় অপহরণকারী দলের সদস্য মো. হোসেন (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। 

নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) এস এম মোস্তাইন হোসেন বলেন, ‘আপন খালাতো ভাই সাকিবকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেছিল। শেষে পুলিশ সাকিবকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের একজনকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে।’

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম

আপনার মন্তব্য

up-arrow