Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৫:১১

মাদক মামলার আসামি যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেকদ, চট্টগ্রাম

মাদক মামলার আসামি যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

সীতাকুণ্ড উপজেলায় মাদক মামলার আসামি এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেফতার করতে হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশের। ওই যুবলীগ নেতার নাম ওহিদ চৌধুরী তৌহিদ। গ্রেফতারের পর ওই যুবলীগ নেতার সমর্থকেরা প্রথমে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। 

পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা তৌহিদ ও স্থানীয় এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা শাহাবুদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। শুক্রবার রাতে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ফুলতলা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশকে কয়েক রাউন্ড গুলিও চালাতে হয় বলে জানান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) এইচ এম মশিউদ্দৌলা রেজা ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ফুলতলা বাজার থেকে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ওহিদ চৌধুরী তৌহিদকে একটি মাদকের মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে আটকের খবর পেয়ে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো. ইদ্রিসের অনুসারী ও কর্মী-সমর্থকেরা সংঘবদ্ধ হয়ে বাজারে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা ওহিদকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে বাজার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে বার আউলিয়া মাজার সংলগ্ন ইদ্রিসের মালিকানাধীন ফার্মেসিতে নিয়ে য়ায়। 

এরপর অতিরিক্ত পুলিশ তৌহিদকে পুনরায় আটকের চেষ্টা করলে কয়েক’শ কর্মী-সমর্থক বিক্ষোভ করে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। এতে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে পুলিশ ইদ্রিসের দোকানে ঢুকে ইদ্রিসের তৌহিদ এবং সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাদের নিয়ে যাবার সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ আবারও গুলিবর্ষণ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে। 

এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা মো. ইদ্রিস বলেন, সাদা পোশাকের দুজন পুলিশ এসে যুবলীগ নেতা তৌহিদকে গ্রেফতার করেছিল। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তারপরও কেন গ্রেফতার করা হলো তা নিয়ে নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) এইচ এম মশিউদ্দৌলা রেজা বলেন, ‘মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতারের পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নিলেও পরে অতিরিক্ত ফোর্স পাঠিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়তে হয়েছে পুলিশকে। 


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ তাফসীর


আপনার মন্তব্য