Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:০১
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আসছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আসছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আসছে দুইটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার। ইতিমধ্যে দরপত্রের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে এই কার্যাদেশ। আগামী মাসেই দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুটি বাঘ (একটি পুরুষ একটি মহিলা) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় এসে পৌঁছার কথা।

চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত চিড়িয়াখানায় ২০০৩ সালে ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে দুটি বাঘ আনা হয়েছিল। ২০০৬ সালে বাঘ ‘চন্দ্র’ মারা যায়। ২০০৯ সালে তার সঙ্গী ‘পূর্ণিমা’ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। ২০১২ সালের ৩০ অক্টোবর পূর্ণিমা মারা যায়। এরপর থেকে গত চার বছর বাঘহীন অবস্থায় ছিল চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা।

চিড়িয়াখানা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, '২৬ সেপ্টেম্বর ফেলকন ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ লাখ টাকায় দুটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার কেনার কার্যাদেশ দেয়া হয়। চিড়িয়াখানার নিজস্ব তহবিল থেকেই বাঘ কেনার পুরো টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে বাঘ দুটি চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় পৌঁছানোর কথা'।    

চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, 'পূর্ণিমার ক্যান্সার ধরা পড়ার পরই বাঘ ও বাঘিনী চেয়ে ঢাকা চিড়িয়াখানা ও ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে সাড়া মিলেনি। এরপর  মন্ত্রণালয়েও কয়েকবার চিঠি দেয়া হয়েছিল। তারপরও সাড়া না মেলায় গত ২৫ জুন চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার নির্বাহী কমিটির সভায় প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমতিসাপেক্ষে নিজেরাই বাঘ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের অনুমতির পর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুটি বাঘ কিনতে গত ১৯ আগস্ট আর্ন্তজাতিক দরপত্র আহবান করা হয়। চারটি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়। সর্বনিম্ন ৩৩ লাখ টাকায় ২৬ সেপ্টেম্বর বন্যপ্রাণী আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ফেলকন ট্রেডার্সকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়'।

চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এটি তত্বাবধান করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। বর্তমানে ৬৫ প্রজাতির ৩৬৫টি প্রাণী আছে। এর মধ্যে ৩২ প্রজাতির পাখি ও ৩৩ প্রজাতির প্রাণী। বর্তমানে আছে- একটি সিংহ-একটি  সিংহী, একটি ভালুক, ১৮টি বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ, ছোট-বড় ৩৪টি কুমির, ১১টি অজগর, তিনটি চিতা বিড়াল, মেছো বিড়াল, কাছিম, বানর ও বাঘডাস। তাছাড়াও আছে ধনেশ, টিয়া, ময়না, বক, হাঁস, চিলসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি। ১৮টি হরিণের মধ্যে আছে একটি প্যারা, চারটি মায়া, চারটি সম্বর ও নয়টি চিত্রা হরিণ। বানর প্রজাতির মধ্যে আছে হনুমান, রেসাস ও ঊল্টা লেজি।

                   
বিডি-প্রতিদিন/৩০সেপ্টেম্বর, ২০১৬/তাফসীর

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow