Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২১:৫৬ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
যানজট ও ছিনতাইয়ে অস্থির পাঠানটুলিবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
যানজট ও ছিনতাইয়ে অস্থির পাঠানটুলিবাসী

যানজট, ছিনতাইসহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত চট্টগ্রামের ২৮ নাম্বার পাঠানটুলি ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে প্রধান সমস্যা স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীদের বখাটে ছেলেরা প্রতিনিয়ত হয়রানী, নাজেহাল, কিছু চিহ্নিত বখাটে যুবক প্রকাশ্যে ছিলতাই করে আসছে।

তাদের আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।  

জানা গেছে, এ বিষয়ে কাউন্সিলর ও প্রশাসনকে মৌখিকভাবে বলার পরও কোন কাজ হয়নি। এতে স্থানীয়রা গণস্বাক্ষর নিয়ে লিখিতভাবে কাউন্সিলরসহ প্রশাসনকে জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ারসহ ভুক্তভোগী আরও অনেকেই। তবে ওয়ার্ডে মাদক, ফেনসিডিল, জলাবদ্ধতা, পানি সংকট সমস্যা কিছুটা কমে এসেছে এবং আরো কিছু সমস্য দ্রুত সময়ের মধ্যে কেটে যাবে বলে জানান স্থানীয় কাউন্সিলর আবদুল কাদের। তবে ছিনতাই, স্কুল ছাত্রীদের হয়রানী এসব বিষয় কোনভাবে মেনে নেয়া যাবে না। এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে আছেন বলে জানান তিনি।

পাঠানটুলী ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহ আলম, কামাল পারভেজ বাদল ও দেলোয়ার হোসেনসহ একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভের সাথে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ওয়ার্ডের মাদার বাড়ি রাস্তার মোড়, কমার্স কলেজের পিছনে এবং  ওয়াল্ড ট্রেট সেন্টারের আশ-পাশেসহ প্রায় এলাকার কয়েকটি চিহ্নিত স্পটে দিনে দুপুরে ছিনতাই করে পালিয়ে যাচ্ছে। ছিনতাইকারিরা চেনা মুখ হলেও প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলছেন না মৃত্যুর ভয়ে। তাছাড়া যানজট এবং স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীদেরও উত্তক্ত করে এলাকার যুবকরা।  

তারা আরও বলেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন, মাদক, ফেনসিডিল কমে আসলেও উক্ত ঘটনার কারণে এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় কাটছে সাধারণ মানুষের বসবাস। এ বিষয়ে কাউন্সিলরসহ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরেই পানির চরম সংকটও রয়েছে এলাকায়।

উল্লেখ্য গাড়ির ইঞ্জিন, মোটর পার্টস ও টায়ার টিউবের ব্যবসার জন্য বিখ্যাত পাঠানটুলী ওয়ার্ড। আয়তনে ছোট পাঠানটুলী ওয়ার্ডে কোন বিকল্প সড়ক না করে কদমতলী ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজের জন্য এখানকার ব্যবসার এখন নাজুক অবস্থা। খাবার, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা ও ওয়াসার পানির চরম সংকটে আছেন এলাকাবাসী।
  


বিডি-প্রতিদিন/ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/ আব্দুল্লাহ সিফাত-১৯

আপনার মন্তব্য

up-arrow