Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২১:৪১ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
আসছেন মন্ত্রী, তাই তড়িঘড়ি উচ্ছেদ!
সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম:
আসছেন মন্ত্রী, তাই তড়িঘড়ি উচ্ছেদ!

দীর্ঘদিন পর আবারও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন সংলগ্ন আশ-পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন রেলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। রেলপথ মন্ত্রী, সচিবসহ রেলের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চট্টগ্রাম আগমনকে কেন্দ্র করে সাময়িক এ 'লোক দেখানো' উচ্ছেদ শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট অনেকেই মন্তব্য করেছেন।


 
এদিকে উচ্ছেদ হলেও কয়েকদিনের মধ্যেই অবৈধ স্থাপনা ফের গড়ে তুলবে বলে জানান স্থানীয়রা। জানা গেছে, অবৈধ স্থাপনাগুলো থেকে রেল কর্মকর্তা-কর্মচারী, আরএনবি, জিআরপি পুলিশসহ দালালরা মাসোহারা পান। একইসঙ্গে এসব অবৈধ স্থাপনায় শতাধিক ভাসমান দোকান ও মদ গাজার আস্তানা গড়ে তুলে বেপরোয়া ব্যবসা করে আসছে প্রভাবশালী মহল। দায়িত্বশীলদের বলা হলেও তারা এ বিষয়ে ধরণের কর্ণপাত করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

রবিবার সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী উচ্ছেদ অভিযান চালায় রেলের স্টেট বিভাগ। রেলের বার্ষিক স্পোর্টস উপলক্ষে আগামীকাল সোমবার থেকে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে রেল মন্ত্রীসহ উর্ধ্বতন কর্তারা উপস্থিত থাকবেন। সোমবার প্রথম দিন রেল সচিব ফিরোজ সালাউদ্দিনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসছেন। মঙ্গলবার রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এমপি আসছেন। গত কয়েকমাস আগে এসব স্থাপনা একবার উচ্ছেদ করা হয়। ফের রেলের চিহ্নিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নেপথ্য সহযোগিতায় এসব স্থাপনা গড়ে ওঠে। রেলের একটা শ্রেণি অবৈধ বসবাসকারীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা মাসোহারা নিচ্ছেন বলেও জানান একাধিক ভাসমান দোকানদার। তাই তারাও নিশ্চিত মন্ত্রী চলে গেলে ফের তারা এখানে বসতে পারবেন। তবে উচ্ছেদের কারণে যে সাময়িক ক্ষতির শিকার তারা হয়েছেন তা পরবর্তীতে মাসোহারার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে বলেও জানান কেউ কেউ।

রবিবার স্টেশন রোডে উচ্ছেদের সময় অবৈধ দখলদারেরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও প্রশাসন ও পুলিশের প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয় বলে জানান পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ভূমি কর্মকর্তা ইশরাত রেজা।

বিডি-প্রতিদিন/এস আহমেদ

আপনার মন্তব্য

up-arrow