Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০৯:৩২ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৩:২৭
রিটকারী কে এই আতা
নিজস্ব প্রতিবেদক
রিটকারী কে এই আতা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে আসন্ন উপনির্বাচনের তফসিল স্থগিতের রিটকারী কে এই আতাউর রহমান ওরফে আতা চেয়ারম্যান— এ নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই রাজধানীবাসীর। বিশেষ করে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যেই এ নিয়ে আগ্রহ বেশি। দলের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ সরকারই এ নির্বাচন বন্ধে পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে। গতকাল ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচনের তফসিলের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাই কোর্ট। একই সঙ্গে ডিএনসিসির সম্প্রসারিত অংশের কাউন্সিলর নির্বাচনের তফসিলও স্থগিত করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, রিটকারী বিএনপিরই নেতা। তিনি ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পাশাপাশি ঢাকা মহানগরী উত্তর বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও ভাটারা থানার সাধারণ সম্পাদক। বিএনপি নেতা-কর্মীদের বড় অংশই এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বলছেন, সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থার ফাঁদে পা দিয়ে আতা চেয়ারম্যান নির্বাচন বন্ধে রিট করেছেন। তিনি বিএনপি নয়, কার্যত সরকারেরই এজেন্ট। তবে রিটকারী আতা চেয়ারম্যানের দুই আইনজীবী আওয়ামী লীগ সমর্থক। তারা হলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভুঁইয়া। রিটকারী আরেকজন আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতা। তিনি বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। এ নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় আতাউর রহমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, ‘আমি বিএনপির রাজনীতি করি। কিন্তু এ নিয়ে দলের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। আমি ভাটারা এলাকার চেয়ারম্যান। তাই এলাকার জনগণের মনোভাব থেকেই এ রিট করেছি। এ ছাড়া মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন হলে ঠিকাদাররাও আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারতেন। এখন আর পারবেন না। আমি আমার ভোটাধিকার চেয়েছি, আমার সীমানা চেয়েছি। এটা কোনো অন্যায় নয়। যদি কেউ দায়ী থাকে তা নির্বাচন কমিশন।’ রিট আবেদনকারী আতাউর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ত্রুটিপূর্ণ তফসিলের কারণেই সংক্ষুব্ধরা রিট করার সুযোগ পেয়েছেন। রিটকারী যে কোনো দলেরই হতে পারেন। ত্রুটিপূর্ণ তফসিলের জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী। এটা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ প্রযোজনা।’


বিডি প্রতিদিন/১৮ জানুয়ারি ২০১৮/হিমেল

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow