Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ২০ আগস্ট, ২০১৮ ১১:৪২ অনলাইন ভার্সন
সোমবারও ট্রেনের সময়সূচিতে বিপর্যয়, ভোগান্তি চরমে
অনলাইন ডেস্ক
সোমবারও ট্রেনের সময়সূচিতে বিপর্যয়, ভোগান্তি চরমে
ফাইল ছবি

কম ঝুকি এবং যানজটের ধকল এড়াতে বরাবরের মতো এবারের ঈদেও ঘরমুখো মানুষ বেছে নিয়েছেন রেলপথকে। সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। তবে অন্যান্য দিনের মতো ঈদযাত্রার চতুর্থদিন সোমবারও ট্রেনের নির্ধারিত সময়সূচিতে বিপর্যয় ঘটেছে।

ঢাকা থেকে প্রায় প্রত্যেকটি ট্রেনই দেড় থেকে তিন ঘণ্টা দেরিতে ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছে। এমনকি কমলাপুরে পৌঁছাতেও বিলম্ব হচ্ছে অনেক ট্রেনের। এ ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, শেষ সময়ে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে ট্রেনগুলো ধীর গতিতে চলছে। আর অনেক ট্রেন সময় মতো ঢাকায় পৌঁছাতেও পারছে না। তাই ঢাকা ছাড়তেও দেরি হচ্ছে এসব ট্রেনের। 

জানা গেছে, সোমবার মোট ৬৯টি ট্রেন কমলাপুর স্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা। এর মধ্যে পাঁচটি ঈদ স্পেশাল, ৩১টি আন্তঃনগর। বাকি ৩৩টি ট্রেন লোকাল, মেইল এবং কমিউটার ট্রেন। 

এদিকে, সকাল পর্যন্ত অনেক ট্রেনই কমলাপুর স্টেশনে এসে পৌঁছায়নি। ফলে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রী নিয়ে যাত্রাও করতে পারছে না সময়মতো। আন্তঃনগর ধুমকেতু এক্সপ্রেসের কমলাপুর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে ভোর ছয়টায় ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি সকাল ৯টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত স্টেশনে দাঁড়ানো ছিলো। খুলনা অভিমুখী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ভোর ৬টা ২০মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটি কমলাপুর স্টেশন ছেড়েছে সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে। এছাড়া সূচি বিপর্যয়ের একই অবস্থা ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটের বিশেষ ট্রেন ‘দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল’ ও লালমনিরহাট-ঢাকায় চলাচলকারী ‘লালমনি স্পেশালে’রও। 

অন্যদিকে, ট্রেনের সময়সূচিতে বিপর্যয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। এক যাত্রী বলেন, ‘মহাসড়কের যানজট আর ভাঙাচোরা রাস্তার ভোগান্তি কমাতে ট্রেনের টিকিট কাটলাম। কিন্তু এখানেও সেই একই ভোগান্তিই।’

বিডি প্রতিদিন/ ২০ আগস্ট ২০১৮/ ওয়াসিফ

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow