Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ১৮:২৭ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ১৮:৩০
পল্লী বিদ্যুৎ সাবস্টেশন
নির্মাণের ৭ দিন পর ভেঙে পড়ল ছাদ!
শেরপুর প্রতিনিধি
নির্মাণের ৭ দিন পর ভেঙে পড়ল ছাদ!

৪০ লক্ষ টাকা ব্যয় চক্তিতে ‌‘সান রাইস‌’ নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৬ মাস ধরে নির্মাণ করছে শেরপুর নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সাবস্টেশন। গত শনিবার থেকে পাহাড়া বসিয়ে ওই স্টেশনের কাজ চলছে সামিয়ানায় ঘেরা বেড়ার ভেতরে। অথচ গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন যুবক ওই ভবনে ঢুকে দেখেন ৭ দিন আগে ঢালাই করা ছাদ ভেঙে মাটিতে পড়ে আছে। আর ঠিকাদারের লোকজন তা ঠিক করার চেষ্টো করছেন। এনিয়ে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ নিম্নমানের কাজের জন্য ছাদ ভেঙে পড়েছে। 

জেলা পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মাশরুল হক খান বলেন, এই প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি জেনেছেন। ছাদ ভেঙে পড়েছে স্বীকার করে জিএম জানান বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
                   
জানা যায়, গত ৬ মাস ধরে ওই এলাকায় পল্লী বিদ্যুতায়ন প্রকৌশল বিভাগের তত্বাবধানে ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। কয়েকদিন আগে ভবনের একতলার ছাদের কাজ শেষ হয়। গত সোমবার লোকজন দেখতে পায় ছাদ ভেঙে গেছে। ছাদ ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভবনটি কাপড় দিয়ে বেড়া দিয়ে রাখে। 

এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী মিরাজুল ইসলাম ছাদ ভেঙে পড়ার খবর মিথ্যা বলেই সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মোবাইল কেটে দেন। অনেক বার চেষ্টা করেও তার যোগাযোগ পাওয়া যায়নি। 

তবে সংশ্লিষ্ট কাজের তত্বাবধায়ক পল্লী বিদ্যুতায়নের প্রকৌশলী শেখ আহমদ আলী জানান, অনুমতি না নিয়েই ছাদ তৈরি করা হয়েছে। কাজ নিম্নমানের হয়েছে এটা সঠিক নয়। তবে কাজ করতে পদ্বতিগত ভুল হয়েছে বলে ছাদ ভেঙে গেছে। শর্ত অনুযায়ী কাজ বুঝিয়ে দেয়ার পর ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হবে। সুতারাং যাই হোক কাজ করে দিয়ে বিল নিতে হবে। ছাদ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো বিল ঠিকাদারকে দেয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেছেন।
     
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

আপনার মন্তব্য

up-arrow