Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ৩ জানুয়ারি, ২০১৭ ১১:৩৫ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
ফ্লাইওভার নির্মাণে ধীরগতিতে ভোগান্তি
মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা
ফ্লাইওভার নির্মাণে ধীরগতিতে ভোগান্তি
নির্মাণাধীন শাসনগাছা ফ্লাইওভার

কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকার ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় নগরবাসীর দুর্ভোগ বাড়ছে। এ পথে যাতায়াতকারীরা প্রতিদিনই তীব্র দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

বিশেষ করে শাসনগাছা থেকে ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিলেটসহ বিভিন্ন রুটের বাস চলাচল করছে। কিন্তু এসব বাসে যাত্রীদের চলাচলে বিকল্প কোনো সড়কের ব্যবস্থা করা হয়নি। হকার বসার কারণে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে পায়ে হাঁটার জায়গাও নেই।

শাসনগাছায় রেলক্রসিংয়ের যানজট নিরসনে ২০১৫ সালের মে মাস থেকে এই ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৩১ দশমিক ২৯ মিটার দৈর্ঘ্যের ফ্লাইওভারটির কাজ করছে বাংলাদেশি প্রেক্টা ইঞ্জিনিয়ারিং লি. কোম্পানি।

সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লার সদস্য সাংবাদিক বাকীন রাব্বী বলেন, শাসনগাছা রেলক্রসিংয়ে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পের মেয়াদ দুই বছর হতে চলল। সে তুলনায় কাজের তেমন অগ্রগতি নেই। গত ডিসেম্বরে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা আগামী ছয় মাসে সম্পন্ন হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। মানুষ ও যান চলাচলে দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করা প্রয়োজন। ফ্লাইওভারের নিকটবর্তী ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম ভূইয়া বলেন, মানুষ যানজটের কারণে শাসনগাছা এলাকায় আসতে চায় না। ব্যবসায়ীরা এতে তাদের বাইরের ক্রেতা হারাচ্ছেন। ডিসেম্বরে কাজ শেষ করার কথা ছিল কিন্তু এখনো শেষ হয়নি। ফ্লাইওভারের নিচের রাস্তাগুলোও সংস্কার করা প্রয়োজন। কাজ দ্রুত শেষ হলে এ এলাকার পাঁচ সহস্রাধিক ব্যবসায়ী লাভবান হতো।

শিক্ষাবিদ এহতেশাম হায়দার চৌধুরী বলেন, শাসনগাছা ফ্লাইওভার এখন নগরবাসীর জন্য মহাদুর্ভোগের একটি বড় কারণ। কাজের ধীরগতির কারণে শাসনগাছার সঙ্গে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। শাসনগাছা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে। ফ্লাইওভারের নিচে হকার বসে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মুহম্মদ সাইফ উদ্দীন জানান, শাসনগাছায় ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ করার কথা ছিল। মাঝে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় কাজের গতি কমে যায়। এ পর্যন্ত সার্বিক ৭৫ ভাগ কাজ  শেষ হয়েছে। আশা করছি দ্রুত কাজ শেষ করতে পারব।

বিডি প্রতিদিন/৩ জানুয়ারি, ২০১৬/ফারজানা

আপনার মন্তব্য

up-arrow