Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১০:১৩ অনলাইন ভার্সন
রাতেও জেগে থাকে নিউমার্কেট!
মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা
রাতেও জেগে থাকে নিউমার্কেট!

রাত গভীরেও ছাপার মেশিনের গড়গড় শব্দ। দম ফেলারও যেন কারও সময় নেই। কম্পিউটার কিবোর্ডেও ঠক ঠক শব্দ উঠছে। কুমিল্লা নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার দৃশ্য এটি। এলাকাটি এখন সরগরম। এখানে রয়েছে দুই শতাধিক ছাপা কারখানা, ডিজাইন, কালি, কাগজ, ডিজিটাল প্লেট ও ব্যানার তৈরির প্রতিষ্ঠান। তাদের রয়েছে সহস্রাধিক কর্মচারী। তারা নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি তিন মাস টানা কাজ করেন।

এ সময়টা ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের কাছে ঈদের আগের চাঁদ রাতের মতো। কাজের ডিজাইন ও ছাপা ভালো হওয়ায় এখানে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার পাশাপাশি চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাস্টমারও আসেন। সূত্র মতে, নিউ মার্কেট এলাকায় পাকিস্তান আমলে প্রথম তকদির ও কর্ণফুলী নামের দুটি প্রেস বসে। তকদির প্রেস বন্ধ হয়ে গেছে।

কর্ণফুলী নগরী অন্য এলাকায় গিয়ে ব্যবসা করছে, তবে কর্ণফুলীর আগের সেই জৌলুস নেই। সিটি করপোরেশনের মার্কেট নিউ মার্কেটে ছাপা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান কম। তবে এর পাশের সালাম কমপ্লেক্স, চান্দিনা প্লাজা ও খাজা ম্যানশনে এ সংক্রান্ত ব্যবসায়ী বেশি।

গত ১০ বছর ধরে এখানে ছাপা বিষয়ক সরঞ্জামের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে। এদিকে এখানকার ভবন মালিকদের ঘন ঘন ভাড়া বাড়ানো নিয়ে ব্যবসায়ীদের অসন্তোষ রয়েছে।

একটি প্রতিষ্ঠানের ডিজাইনার রাশেদুল হাসান ফরহাদ বলেন, ‘নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে এখানে ভালো কাজ হয়। কাজ বেশি হওয়ায় স্টাফরা ভালো ওভার টাইমও পেয়ে থাকে। অন্য সময় মালিকের বেতন দেওয়াই কষ্টকর হয়ে যায়।’

গ্রাফিক্স মিডিয়া প্রেসের স্বত্বাধিকারী ইকবাল হোসেন লস্কর বলেন, ‘এ মৌসুমে কাজের চাপ বেশি থাকে। কাস্টমারের চাহিদা মেটাতে গিয়ে গভীর রাতেও কাজ করতে হয়। এ সময় ওয়াজের পোস্টার, ক্যালেন্ডার ও স্কুল কলেজের কাজ বেশি হয়ে থাকে। কাজ বেশি থাকলেও মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভের অংশ নিয়ে যায়। মানসম্পন্ন কাজ দিলে চার্জও একটু বেশি নিতে হয়। তবে অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

নিউ মার্কেট মুদ্রণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এখন নিউ মার্কেট এলাকায় উৎসবের আমেজ বইছে।

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow