Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১১ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১০ জুন, ২০১৬ ২২:৪৭
ঝুঁকিপূর্ণ ১১ পাহাড়ে এখনো লাখো মানুষের বসবাস
পাহাড় ধসের সেই কালো দিন আজ
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

২০০৭ সালের ১১ জুন। চট্টগ্রামে পাহাড়ধস কেড়ে নিয়েছিল ১২৭টি প্রাণ। এ ঘটনায় প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি ভূমিধসের ২৮টি কারণ চিহ্নিত ও দুর্ঘটনা রোধে ৩৬টি সুপারিশ করে। কিন্তু দীর্ঘ ৯ বছরেও সুপারিশগুলো আলোর মুখ দেখেনি। এখনো ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি পাহাড়ে বসবাস করছে লাখো মানুষ। সব মিলিয়ে গত ৯ বছরে পাহাড়ধসে অন্তত ২০০ মানুষের প্রাণহাণি হয়েছে। বর্ষায় প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় নিয়ে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করে। কিন্তু বৃষ্টি কমতেই সব চেষ্টা-প্রক্রিয়া চলে যায় হিমাগারে। পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবদুল জলিল বলেন, চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় নিয়ে আগামী সপ্তাহে বৈঠক আছে। বৈঠকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তা ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের বর্ষার আগেই সরিয়ে নেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জানা যায়, ২০০৭ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ধসের ২৮টি কারণ উল্লেখ করেছিল। এর মধ্যে ছিল— ভারী বর্ষণ, পাহাড়ে বালির আধিক্য, পাহাড়ের উপরিভাগে গাছ না থাকা, গাছ কেটে ভারসাম্য নষ্ট করা, পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস গড়ে তোলা, পাহাড় থেকে বৃষ্টির পানির নিষ্কাশনব্যবস্থা না রাখা, বনায়নের পদক্ষেপ না থাকা, বর্ষণে পাহাড় থেকে নেমে আসা বালি ও মাটি অপসারণে দুর্বলতা।




এই পাতার আরো খবর
up-arrow