Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • চাটাইয়ে মুড়িয়ে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান!
  • কেরানীগঞ্জে বাচ্চু হত্যায় ৩ জনের ফাঁসি, ৭ জনের যাবজ্জীবন
  • ৩ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদন
  • হালদা নদীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা ভাঙার নির্দেশ
  • আফগানিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
  • কাদেরের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের ইঙ্গিত: রিজভী
  • কলারোয়া সীমান্তে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ
  • বিএনপি নির্বাচনে না এলেও গণতন্ত্র অব্যাহত থাকবে: কাদের
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ২০ জুন, ২০১৬ ২২:৪৯
পাইকারিতে দাম কমেছে কমেনি খুচরা বাজারে
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে আদা, রসুন ও পিয়াজের দাম কমেছে। কিন্তু খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব নেই। খুচরা বাজারে আগের বর্ধিত দামেই বিক্রি হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্য। ক্রেতারাও বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে কিনছে। ভোক্তাদের দাবি, পাইকারি বাজারে প্রশাসনের তদারকি থাকলেও খুচরা বাজার মনিটরিংয়ের বাইরে। তাই এ পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা যাচ্ছেতাইভাবে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে।

খাতুনগঞ্জের আড়ত ও পাইকারি দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে বছরের সর্বনিম্ন দামে বিক্রি হচ্ছে মসলাজাতীয় কাঁচা পণ্য পিয়াজ। গতকাল পাইকারিতে ভারত থেকে আমদানিকৃত বিভিন্ন মানের প্রতিকেজি পিয়াজ বিক্রি হয়েছে মাত্র ৮-১৬ টাকায়। এর মধ্যে নাসিক প্রতিকেজি ৮-১৬ টাকা, পাটনা ১০-১৪ টাকা, কানপুরি ১০-১৬ টাকা এবং সুখসাগর ৮-১২ টাকায়। মাত্র এক সপ্তাহ আগে পাইকারিতে এসব এসব পিয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫-৩০ টাকার মধ্যে। এ হিসেবে গত এক সপ্তাহে প্রতিকেজি পিয়াজের দাম কমেছে কমপক্ষে ১৫ টাকা। পাইকারিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম কমলেও প্রভাব নেই খুচরা বাজারে। গত কয়েক মাস ধরে ভোগ্যপণ্যের বাজারে অস্থির ছিল রসুনের দাম। গত কয়েক মাসে দফায় দফায় বেড়ে পণ্যটির দাম ঠেকেছিল প্রতিকেজি ২৮০ টাকা। পাইকারিতে গত পনের দিন ধরে পণ্যটির দাম নেমে এসেছে ৮০ থেকে ১৩০ টাকায়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow