Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • ২ জুন থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্য হাতির আক্রমণে ১০ মাসে নিহত ১৩
  • সাতক্ষীরায় যুবলীগ-শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ২
  • তাসফিয়া হত্যায় 'তৃতীয় পক্ষের' ইন্ধন নিয়ে সন্দেহ পরিবারের
  • বান্দরবানে পাহাড় ধসে নারীসহ ৫ শ্রমিক নিহত
  • সাভারে কাউন্সিলরের লোকজনের সাথে ছাত্রলীগের সংর্ঘষ-গুলি, আহত ২০
  • কেরালায় নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু
  • নাজিব পরাজয় মেনে নিতে চাননি: আনোয়ার ইব্রাহিম
  • রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
  • মাদকবিরোধী অভিযান; রাতে ৭ জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ৯
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ২৩ জুন, ২০১৬ ০২:৩৩
রাষ্ট্রের প্রশ্রয়ে উত্তরায় খালে অস্ত্র : বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘রাষ্ট্রের প্রশ্রয়ে অশুভ উদ্দেশে উত্তরার খালে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ফেলা হয়েছিল।’ গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আরো বলেন, ‘পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের মানে হচ্ছে সত্যকে  চেপে রেখে ন্যায়কে কবর দেওয়া।’ উত্তরায় অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘পুলিশ কমিশনার কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই বিএনপিকে উদ্দেশ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অনভিপ্রেত। এতে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি হয়েছে। মনে হয়েছে, ঢাকার পুলিশ কমিশনার আওয়ামী লীগের পোর্টফোলিও হোল্ডার।’

রিজভী আহমেদ আরও বলেন, ‘যে অস্ত্রগুলো উদ্ধার হয়েছে, এ ধরনের অস্ত্র মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই আমদানি ও ব্যবহার করে থাকে। মানুষের কাছে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে  যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা ছাড়া তুরাগ নদের খালে এ অস্ত্রগুলো পৌঁছাত না।’

কথিত বন্দুকযুদ্ধের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক সংঘটিত এসব হত্যাকাণ্ডকে বন্দুকযুদ্ধ বলে চালানো হচ্ছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, জঙ্গি দমনের নামে গণগ্রেফতারের পাশাপাশি ক্রসফায়ারে হত্যাকাণ্ডের হিড়িক পড়েছে। আইন ও জনমতের  তোয়াক্কা না করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকেরা মানুষ হত্যার নেশায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।’

রিজভী প্রশ্ন রাখেন, ‘জঙ্গি হোক, কিংবা অন্য কোনো অপরাধীই হোক, সরকারের জিম্মায় তারা খুন হয় কীভাবে? বন্দুকযুদ্ধে বন্দী মানুষ বন্দুক, গোলাবারুদ নিয়ে যুদ্ধে অংশ নেবে কীভাবে? রিমান্ড তো কঠোরতম নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় বন্দীর সর্বোচ্চ স্তর, সেখানে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত আসামি খুন হয় কীভাবে? যেখানে বন্দুকযুদ্ধের নামে বন্দীদের খুন করা হয়, সেখানে যুদ্ধের ডামাডোল বা বন্দুকের কোনো শব্দ আশপাশের জনগণ শুনতে পায় না কেন?’

এই পাতার আরো খবর
up-arrow