Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১ জুলাই, ২০১৬ ০৩:১৮
৪ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা পাচার সুইস ব্যাংকে
সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক প্রতিবেদন

অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন দিন দিন কঠোর হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থার তালিকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পুলিশসহ নানা সংস্থা।

কিন্তু বাংলাদেশিদের অর্থ পাচার কমছে না। গেল বছর শুধু সুইজারল্যান্ডসের ব্যাংকগুলোতেই এ দেশ থেকে পাচার হয়েছে ৫৫ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঙ্ক, বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৪ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা (১ সুইস ফ্রাঙ্ক সমান ৮০.৩ টাকা)। দেশ-বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা ২০১৫ সালে এই পরিমাণ নগদ অর্থ সুইজারল্যান্ডসের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করেছেন। ২০১৪ সালে বাংলাদেশ থেকে সুইস ব্যাংকগুলোয় পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাচার বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা। সোনাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুও সুইজারল্যান্ডসের ব্যাংকগুলোয় রাখেন বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা। তবে পাচার হওয়া অর্থের হিসাবে ওইসব ধাতুর মূল্য যোগ করা হয়নি। গতকাল সুইজারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক দেশটির ব্যাংকগুলোর ২০১৫ সালের সামগ্রিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ডস, ২০১৫’ শিরোনাম ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে কী পরিমাণ অর্থ দেশটিতে রাখা হয়েছে, তার বিশদ তথ্য রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, সরকার অর্থপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) গঠনসহ কঠোর প্রতিরোধমূলক আইন করেছে। কিন্তু পাচারকারীদের কাউকে ধরে দৃশ্যমান শাস্তি দিতে পারেনি। এ ছাড়া দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি হয়নি। বিশ্বব্যাংকের ‘ড্রয়িং বিজনেস’ প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭২ নম্বর থেকে দুই ধাপ অবনতি হয়ে এখন ১৭৪ নম্বরে। ব্যবসা-বাণিজ্যের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান নিচের সারিতে থাকা বিশ্বের সর্বনিম্ন এক-তৃতীয়াংশ দেশের মধ্যে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow