Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২২ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৪৪
অর্থ সংকটে থমকে আছে অ্যাসফল্ট প্লান্ট প্রকল্প
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম
অর্থ সংকটে থমকে আছে অ্যাসফল্ট প্লান্ট প্রকল্প

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অ্যাসফল্ট প্লান্ট নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থের বরাদ্দ মিলছে না। ২০০ কোটি টাকা প্রকল্পের বিপরীতে গত অর্থবছরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় মাত্র এক লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। ফলে নির্ধারিত মেয়াদকালে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। একই সঙ্গে অপ্রতুল অ্যাসফল্ট প্লান্টের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারে হিমশিম খাচ্ছে চসিক। এতে ভোগান্তি ও দুর্ভোগ বাড়ছে নগরবাসীর। প্রসঙ্গত, সড়ক সংস্কারের জন্য পাথর, বালু ও বিটুমিনের মিশ্রণ তৈরিসহ বিভিন্ন উপকরণ অ্যাসফল্ট প্লান্টে প্রস্তুত করা হয়। বর্তমানে নগরীর সাগরিকায় চসিকের মাত্র একটি অ্যাসফল্ট প্লান্ট আছে। একটি প্লান্ট দিয়েই নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের এক হাজার ৫০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার-রক্ষণাবেক্ষণ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন,  অ্যাসফল্ট প্লান্ট স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এ কারণে প্রকল্পের কাজও চলছে ধীরগতিতে। কিন্তু চলমান বর্ষা মৌসুমে আমরা অ্যাসফল্ট প্লান্টের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি অনুভব করছি।

এটি নির্মিত হলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক আরও দ্রুত সংস্কার করা যেত। তবে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দে ইতিমধ্যে আমরা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি।

চসিক সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প যাচাই কমিটির সভায় অ্যাসফল্ট প্লান্ট স্থাপন প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। ওই বছরের ১৩ মে প্রকল্পটি প্রি-একনেক সভায় পাসের পর ১ সেপ্টেম্বর ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি একনেকেও পাস হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নকাল হলো জুন ২০১৭ সাল। প্রকল্পে ১৪৯ কোটি ৯৯ লাখ ৪৪ হাজার টাকা দেবে সরকার। বাকি ৪৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা দেবে চসিক। এর মধ্যে ৫০ কোটি টাকায় অ্যাসফল্ট প্লান্ট নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি কেনা হবে। ১৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকায় ৪১টি ওয়ার্ডে পৃথক ৮৯টি সড়কে কার্পেটিংয়ের অনুমোদন রয়েছে। প্লান্টে উৎপাদিত মিক্সার বহনের জন্য ১০ টন ও ৩ টন ধারণক্ষমতার দুটি ডাম্প ট্রাক, একটি টায়ার রোলার ও একটি ভাইব্রেটরি রোলারও কেনার কথা। ইতিমধ্যে চসিক দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদারদের কার্যাদেশ দিয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow