Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০২:৫০
মসলার দামে আগুন
নিজস্ব প্রতিবেদক
মসলার দামে আগুন

সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ইলিশ মাছের দাম কমতে শুরু করেছে। গতকাল এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

এ ছাড়া ঈদুল আজহার দিন ঘনিয়ে আসায় রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের মসলার দাম। বেড়েছে পিয়াজের দামও। গতকাল পিয়াজের বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৪০ টাকায়। এ ছাড়া কয়েক দিনের ব্যবধানে সব ধরনের মসলার দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। এ ছাড়া এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ ও গুঁড়া হলুদের দাম আরেক দফা বেড়েছে। বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ একটু বাড়লেও দাম স্বাভাবিক হয়নি। স্থিতিশীল রয়েছে মাছ, মাংস ও চালের দাম। রাজধানীর কারওয়ান ও বারিধারা বাজার ঘুরে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।   

কারওয়ান বাজারে সাধারণ ক্রেতারা জানান, ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসায় মসলার বাজার ফের চড়া হতে শুরু করেছে। সরকারি কর্মকর্তা মোকারম হোসেন বলেন, কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসায় মসলার দাম  আবার বেড়েছে। এর পেছনে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারসাজি রয়েছে।

গতকাল ছুটির দিনে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায় আদা ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, জয়ত্রি ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা বেড়ে ১৫০০ টাকায়, লবঙ্গ ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৬০০ টাকায়, এলাচ ১ হাজার ২০০ টাকার জায়গায় ১ হাজার ৫০০ টাকায়, দারুচিনি ৩৮০ টাকার স্থলে ৪৫০ টাকায়, জিরা ১ হাজার ৩০০ টাকার স্থলে ১ হাজার ৫০০ টাকায়, গোলমরিচ ৭০০ টাকার স্থলে ৮৫০ টাকায়, জায়ফল ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়, কালো জিরা ১৮০ টাকার স্থলে ৩০০ টাকায়, পাঁচ ফোড়ন ৮০ টাকার স্থলে ১৪০ টাকায়, কাঠ বাদাম ৯০০ টাকার স্থলে ৯৫০ টাকায়, কিশমিশ ৩৫০ টাকার স্থলে ৪০০ টাকায়, চীনা বাদাম ১২০ টাকার স্থলে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পিয়াজ ৩০ টাকার স্থলে ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৪০ টাকা। এ ছাড়া বেশি দামে বিক্রি হয়েছে রসুন ১৭৫ টাকার স্থলে ২০০ টাকায়।

রাজধানীর বাজারগুলোতে সাত দিন আগে বিক্রি হওয়া ৭৫ টাকার টমেটো কারওয়ান বাজারে বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকায়। এ ছাড়া গত সাত দিনের ব্যবধানে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতার। মরিচ এক লাফে ২০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৮০ টাকা। ধনেপাতা ২০০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩৫০ টাকা। জানতে চাইলে এই বাজারের লতিফ স্টোরের মালিক আবদুল লতিফ বলেন, ঈদুল আজহা যত ঘনিয়ে আসবে দাম তত বাড়বে। বছরের সাত দিন মসলার বাজার গরম থাকে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow