Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৪৯
তিন হাসপাতাল ও এক ফার্মেসিকে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা
বিভিন্ন মেয়াদে কয়েকজনের কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তিন হাসপাতাল ও এক ফার্মেসির ১২ জনকে ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এগুলো হচ্ছে— ঢাকা ট্রমা সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালাইজড অর্থোপেডিক হসপিটাল লিমিটেড, ইসলাম ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি, কেয়ার মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল এবং পপুলার মেডিসিন কর্নার।

গতকাল দুপুরে র‌্যাব-২ এর উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সরওয়ার আলম।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ঢাকা ট্রমা সেন্টারের এমডি ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ম্যানেজার আলী জিন্নাহ, ফার্মাসিস্ট পাপ্পু ইসলাম ও রিসিপশনিস্ট আফরোজা আক্তারকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে ৩ মাসের কারাদণ্ড; ইসলাম ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরির মালিক শাহজাহান ও খন্দকার নুরুল ইসলাম এবং ল্যাব ইনচার্জ ছামসুন্নাহারকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে ৩ মাসের কারাদণ্ড; একই হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে আদালতের কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় নাজিমুদ্দিন ভুইয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড; পপুলার মেডিসিন কর্নারের ফার্মেসি ইনচার্জ শওকত হোসেনকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড এবং কেয়ার মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ম্যানেজার মোশারফ হোসেন, ল্যাব ইনচার্জ বাবুল সাহা ও গোলাম মোস্তফাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

র‌্যাব-২ এর উপ-পরিচালক মাহবুব আলম বলেন, অভিযানের সময় হাসপাতালগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার, অপরিষ্কার মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব, ওটি রুমের অভ্যন্তরে অত্যন্ত নোংরা, রি-এজেন্ট রাখা  ফ্রিজের ট্রের মধ্যে তেলাপোকাসহ মৃত পোকামাকড় থাকা, ফ্রিজের টেম্পারেচার সঠিক না থাকা, ল্যাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ান না থাকা, ল্যাব ফ্রিজের মধ্যে ব্লাড, টিস্যু, মিডিয়া কালচার সামগ্রী রাখা, ডাক্তার ব্যতীত রিপোর্টে ব্ল্যাংক স্বাক্ষর করাসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। এ ছাড়া ফার্মেসিতে অবৈধভাবে আমদানিকৃত বিপুল পরিমাণ উচ্চমূল্যের রেজিস্ট্রেশনবিহীন বিদেশি ওষুধ ব্যবহার ও বিক্রয়ের জন্য মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়। এসব ঘটনায় তিন হাসপাতাল ও এক ফার্মেসির ১২ জনকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow