Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৫৬
লালদিয়ায় বাল্ক টার্মিনাল নির্মাণে বিনিয়োগকারী খুঁজছে সরকার
ফারুক তাহের, চট্টগ্রাম

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে লালদিয়া বাল্ক টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে বিদেশি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। কানাডার ‘ট্রিপল এম গ্রুপ’ এ প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইতিমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করে খসড়া প্রতিবেদন দিয়েছে।

তাদের সঙ্গে রয়েছে আরও দুই প্রতিষ্ঠান— ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং এবং ম্যাকস ইনকরপোরেশন। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত আধুনিক এই বাল্ক টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। তাই সরকারের তরফ থেকে বেসরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান খোঁজা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে প্রস্তাবিত এই টার্মিনালটি নির্মিত হলে পণ্য খালাস আরও দ্রুততর হবে এবং জাহাজের গড় অবস্থানকাল হ্রাস পাবে বলে মনে করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে বর্তমানে লালদিয়ার চরে প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত স্থানে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা ও বসতি রয়েছে। এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও বসতি স্থাপনকারীদের পুনর্বাসন করা নিয়ে বিপত্তি বাধতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রতিবেদনে প্রকল্পটিকে লাভজনক বিবেচনা করা হয়েছে উল্লেখ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) জাফর আলম জানিয়েছেন, পিপিপি’র ভিত্তিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব। খসড়া প্রতিবেদনের ওপর বন্দর কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক মতামত দেওয়া হয়েছে। এখন বিষয়টি সরকার ও পরামর্শকদের ওপর নির্ভর করছে। এদিকে খসড়া রিপোর্ট পাওয়ার পর শুরু হয়েছে বিনিয়োগকারী অনুসন্ধান প্রক্রিয়া। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের আওতায় পিপিপি সংক্রান্ত দফতরে এই কার্যক্রম চলছে। আধুনিক অপারেটিং ব্যবস্থাপনায় লালদিয়া বাল্ক টার্মিনাল নির্মিত হলে এক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে জানান বন্দর ব্যবহারকারীরা। চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান আমদানি-রপ্তানির কথা বিবেচনা করে অনেক আগেই প্রয়োজন ছিল বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow