Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:২৯
নয়া পথে হাঁটছে বিএনপি
চট্টগ্রাম নগরীর ৩৯ ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত হচ্ছে
ফারুক তাহের, চট্টগ্রাম
নয়া পথে হাঁটছে বিএনপি

নয়া পরিকল্পনার পথ ধরেই হাঁটছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি। আগামীকাল নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৯টির পুরনো কমিটির বিলুপ্তি ঘোষণা হতে পারে।

নতুন করে ওয়ার্ড কমিটি গঠনের আগে নগরব্যাপী সদস্য সংগ্রহ অভিযানে মাঠে নামছেন নগর বিএনপির নেতারা। কমিটি বিলুপ্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার জন্য কাল নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে নগর বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, নগরীর ৩৯টি ওয়ার্ডে এক মাসের মধ্যে সদস্য সংগ্রহের পর সরাসরি ভোটে ওয়ার্ড কমিটির নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। ১০১ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটির ১১টি সাংগঠনিক পদে সরাসরি ভোট হবে। পরে যোগ্যতার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিত ১১ জন নেতা-নেত্রী বাকি ৯০ জন নির্বাহী সদস্য মনোনীত করবেন। এর আগে বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার পরপরই প্রতিটি ওয়ার্ডে গঠন করা হবে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি। আহ্বায়ক কমিটি সদস্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে ১১টি সাংগঠনিক পদে নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে। এ ক্ষেত্রে আহ্বায়ক কমিটির কোনো সদস্য ওয়ার্ড কমিটির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না বলে জানা গেছে। নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ও ১০ নম্বর কাট্টলী ওয়ার্ড বিলুপ্ত হবে না। কারণ মাত্র বছর দেড়েক আগেই কমিটি দুটি করা হয়েছে। অন্য ৩৯টি ওয়ার্ডে দুই বছর মেয়াদি কমিটির বয়স পাঁচ থেকে ছয় বছর হয়ে গেছে। তাই অত্যন্ত নির্মোহ দৃষ্টিভঙ্গি ও সাবধানতা অবলম্বনের মধ্য দিয়ে ওয়ার্ড নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন সাধারণ সদস্যরা। এতে নগর বিএনপি অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি দায়িত্বশীল ও গতিময় হয়ে উঠবে নিঃসন্দেহে।

এদিকে নতুন প্রক্রিয়ার এই যাত্রায় ওয়ার্ড বিএনপির কোনো সদস্য তার ঠিকানা পরিবর্তন বা অন্য কোনো ওয়ার্ডে গিয়ে বসবাস শুরু করলে তাকে ওই ওয়ার্ড কমিটিকে জানাতে হবে। এরপর ঠিকানা যাচাই করে তাকে ওই ওয়ার্ড কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তি দুই ওয়ার্ডে বিএনপির সদস্যপদ গ্রহণ করতে পারবেন না বলেও গঠনতান্ত্রিক বিধান রাখা হচ্ছে। নতুন নিয়মের কার্যক্রম সফল হলে বিএনপির প্রত্যেক নেতা-কর্মী যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবেন এবং দলীয় কোন্দলের চেয়ে সৌহার্দ ও স্বতঃস্ফূর্ততা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow