Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:১২
সুপ্রিমকোর্ট জাজেস পেনশন বিল পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবশেষে সংসদে পাস হলো সুপ্রিমকোর্ট জাজেস (ছুটি, পেনশন ও সুবিধাদি) (সংশোধন) বিল। সংসদের সপ্তম অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের প্রায় এক বছর চার মাস পর গতকাল জাতীয় সংসদের দ্বাদশ অধিবেশনে পাস হলো।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাস করার বিলম্বের কারণ হিসেবে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মতামত পেতে বিলম্ব হওয়াকে দায়ী করা হয়। বিচারপতিদের মাসিক পেনশন ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিচারপতিদের পেনশন নির্ধারণ হবে মোট চাকরির সময়কে মাসের হিসেবে গুণ করে প্রতি মাসে ২৫০ টাকা হারে। তবে এ হিসেবে কেউ ৮ হাজার ৫০০ টাকার    বেশি পাবেন না। একইভাবে বিলে বিচারপতিদের বয়সানুপাতে পেনশন সুবিধার হার বণ্টন করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিলে বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৪৫ বছরের কম হলে প্রাপ্যতার হার ২৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৬০ টাকা হারে, অবসরকালীন বয়স ৪৫ বছরের বেশি কিন্তু ৫০ বছরের কম হলে প্রাপ্যতার হার ২১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪৫ টাকা হারে এবং অবসরকালীন বয়স ৫০ বছর বা তার বেশি হলে পেনশনের হার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩০ টাকা করা হয়েছে।

এই বিল ২০১৩ সাল থেকে কার্যকর হবে বলেও বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। একজন বিচারক অবসরে গেলে, পদত্যাগ করলে বা পদচ্যুত হলেও পেনশন পাওয়ার যোগ্য হবেন। তবে পাঁচ বছর কম হলে পেনশন পাবেন না।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, সুপ্রিমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকগণ সুপ্রিমকোর্ট জাজেস (লিভ, পেনশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক সমর্পিত পেনশনপ্রাপ্ত হন। সরকার ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে সরকারি কর্মচারীদের অবসর-পরবর্তী জীবনের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক সমর্পিত পেনশনের বিপরীতে প্রদত্ত আনুতোষিকের হার বৃদ্ধি করে। তবে সুপ্রিমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকগণের ওই আনুতোষিক হার এখনো বৃদ্ধি করা হয়নি। এ অবস্থায় ওই উদ্দেশ্য পূরণে সুপ্রিমকোর্ট জাজেস (লিভ, পেনশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট, ২০১৬ বিলটি আনা হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow