Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০৩:১৪
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন
সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন

একক বক্তৃতা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান গবেষক আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে বাংলা একাডেমি। গতকাল বিকালে একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ‘আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ : বরেণ্য বাঙালি মনীষা’ শীর্ষক এই বক্তৃতা অনুষ্ঠান। এতে একক বক্তৃতা প্রদান করেন অধ্যাপক মাহবুবুল হক। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান। সূচনা বক্তৃতা প্রদান করেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। অধ্যাপক মাহবুবুল হক বলেন, প্রাচীন ও মধ্যযুগ— এই দুই কালপর্বের সাহিত্য ছিল পুঁথিনির্ভর। কারণ সে সময়ে মুদ্রণযন্ত্র ছিল না। তখন হাতে লেখা পুঁথিই ছিল লিখিত সাহিত্য সৃষ্টি ও রসাস্বাদনের প্রধান মাধ্যম। মুদ্রণনির্ভর আধুনিক প্রকাশনার যুগে ক্রমেই পুঁথির গুরুত্ব কমতে থাকে এবং ক্রমশ বিলুপ্তপ্রায় হয়ে ওঠে। এই প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ এসব দুষ্প্রাপ্য পুঁথি সংগ্রহে নিয়েছিলেন অগ্রণী ভূমিকা। সভাপতির বক্তব্যে ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান বলেন, প্রতিকূল ধর্মীয় ও সামাজিক পরিস্থিতিকে অগ্রাহ্য করে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ পুঁথি সংগ্রহ করেছেন। পুঁথি-নিবেদিতপ্রাণ হওয়ায় তাকে জীবনে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। তবু পুঁথি উদ্ধার ও গবেষণায় তিনি ছিলেন অদম্য। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ গত শতাব্দীর শুরুর দিকেই বাংলাকে ‘বাঙালির জাতীয় ভাষা’ ঘোষণা করে তার অসীম মাতৃভাষাপ্রীতির পরিচয় দিয়েছেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow