Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৪ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৫৩
সম্পর্ক নাটকীয় মাত্রায় যাবে
— অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন
সম্পর্ক নাটকীয় মাত্রায় যাবে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, চীনা প্রেসিডেন্টের এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে একটা নাটকীয় মাত্রা যোগ করবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে। চীন বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দর, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ ও পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগা স্থাপনে ঋণসহায়তা দেবে। এতে বাংলাদেশের অবকাঠামো দুর্বলতা দ্রুত কেটে যাবে। চীন বলছে আমাদের বঙ্গোপসাগরকে তারা অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। এখানে যেসব সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। চীনের এসব ঋণসহায়তা ও প্রেসিডেন্টের সফর চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে কতটা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে— গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এখানে বাণিজ্য ঘাটতি একটা নন ইস্যু। কেননা চীন থেকে বাংলাদেশ যা আমদানি করে তার বেশির ভাগই মূলধনী যন্ত্রপাতি ও শিল্পের কাঁচামাল। ফলে একে মুখ্য বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। কারণ এসব আমদানি পণ্য থেকে ফিনিশড প্রোডাক্ট তৈরি হয়। সেটা আবার রপ্তানিও হয়। একই পণ্য চীন ছাড়া অন্য কোনো দেশ থেকে আমদানি করতে হলে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে। ফলে চীন থেকে আমদানি করা পণ্য সব সময়ই সাশ্রয়ী বলে তিনি মনে করেন।

চীনা প্রেসিডেন্টের এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে— জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা নতুন এক দিগন্তের সূচনা করবে। আমাদের যে মধ্য আয়ের দেশ গড়ার স্বপ্ন তা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তবে শুধু আমদানিই নয়, চীনে রপ্তানি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে আরও মনোযোগী হতে হবে। চীনের সঙ্গে এমন বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিশ্লেষণে তিনি বলেন, প্রতিটি দেশের সঙ্গে পৃথক ন্যাচারের সম্পর্ক। এখানে ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র বা জাপানের একেক রকম সম্পর্ক। আবার চীনের সঙ্গে আরেক রকম সম্পর্ক। ফলে এ ধরনের সম্পর্ক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।

up-arrow