Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৩১
ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স চাপা
বাঁচলেন না রমজানও
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাঁচলেন না রমজানও

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের চাপায় আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। গতকাল ঢামেকের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রমজান আলী (৩৫)। তিনি শনিবার সকালে ‘মানব সেবা’ নামে অ্যাম্বুলেন্সের চাপায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তার বাড়ি রাজধানীর কদমতলীর রায়েরবাগের মেরাজনগরে। ঘটনার দিন তিনি তার স্ত্রীকে ডাক্তার দেখানোর জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এসেছিলেন। সূত্র জানায়, ১৫ অক্টোবর ঢামেকের জরুরি বিভাগের গেটে ‘মানব সেবা’ নামে একটি অ্যাম্বুলেন্স (সিলেট ছ ৭১-০০৬৪) দ্রুত বেগে ধাক্কা দিলে সাকিব নামের সাত বছরের এক শিশু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। একই সঙ্গে মৃত্যু হয় অজ্ঞাত আরেক ভিক্ষুকের। তার বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর। ওই দিন বেলা পৌনে ৩টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সাকিবের মা গুলেনুর বেগমের। রাত ৮টার দিকে মৃত্যু হয় আহত গর্ভবতী নারী আমেনা বেগম সূর্যির। এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ক্যাজুয়ালটিতে অপারেশনের মাধ্যমে দুর্ঘটনার আঘাতে মারা যাওয়া তার অনাগত মৃত সন্তান বের করেন চিকিৎসকরা। সেদিন থেকেই ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন রমজান। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও ঢামেক সূত্র জানায়, সকালে চালক সোহাগ তার সহকারী সোহেলকে চানখাঁরপুল থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে যেতে বলে। পরে সোহেল অ্যাম্বুলেন্সটি দ্রুতগতিতে চালিয়ে জরুরি বিভাগে যাচ্ছিল। এ সময় জরুরি বিভাগের গেটে  সে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এতে বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনা ঘটে। ওই দিন এ ঘটনায় আহত হন মৃত আমেনা বেগম সূর্যির ছেলে সজীব, মৃত সাকিবের ছোট ভাই আকাশ, বাচ্চু মিয়া ও রিকশাচালক মাহতাব।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow