Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৪৩
সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণের জায়গা নেই চট্টগ্রামের ১০ উপজেলায়
রহস্যজনক বলছেন সংস্কৃতি কর্মীরা
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের ১০ উপজেলায় সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণে পর্যাপ্ত জায়গা খুঁজে পাওয়া যায়নি। চার উপজেলায় পাওয়া গেছে।

এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণের জায়গা নির্ধারণ করা উপজেলাগুলো হলো রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বাঁশখালী ও লোহাগাড়া। জায়গা না পাওয়া উপজেলাগুলো হলো পটিয়া, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, মিরসরাই, সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি। ১০ উপজেলায় সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণের জমি চিহ্নিত না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামের সংস্কৃতি কর্মীরা। জানা যায়, তৃণমূল পর্যায়ে সুষ্ঠু সংস্কৃতিচর্চার বিকাশে উপজেলা সদরে ৬০ শতক ভূমির ওপর দৃষ্টিনন্দন ‘উপজেলা সংস্কৃতি কেন্দ্র’ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলার সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) কাছে গত বছরের ৯ মে একটি চিঠি দেয় জেলা প্রশাসন। পরে চার উপজেলা সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণে পর্যাপ্ত জায়গা আছে বলে জেলা প্রশাসনে প্রতিবেদন দেয়। জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিন বলেন, ‘যে চারটি উপজেলা থেকে জায়গার প্রস্তাব আমরা পেয়েছি সেখানে সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণের সুপারিশ করে প্রতিবেদনটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয় পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

সম্মিলিত আবৃত্তি জোট চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক ফারুক তাহের বলেন, ‘কার স্বার্থে ১০টি উপজেলায় সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণে প্রয়োজনীয় জমি নেই বলা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হোক। অথচ আমাদের জানা মতে উপজেলা পর্যায়ে অনেক খাসজমি আছে। ’ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেদনে বাঁশখালী উপজেলার উত্তর জলদী মৌজার নাল শ্রেণির ২ একর ৩৭ শতক, রাউজানের সুলতানপুর মৌজার খাস খতিয়ানের নাল শ্রেণির ৬০ শতাংশ ও রাঙ্গুনিয়ার ঘাটচেক মৌজায় খাস খতিয়ানের ৬০ শতাংশ ভূমির প্রস্তাব পাঠানো হয়। এ তিন উপজেলার সহকারী কমিশনাররা (ভূমি) জমি বন্দোবস্ত প্রদানের মাধ্যমে কার্যক্রম গ্রহণের সুপারিশ করেন।

তা ছাড়া লোহাগাড়া উপজেলার নাল শ্রেণির পৃথক তিন দাগে দশমিক ৬০ শতাংশ জায়গা অধিগ্রহণের মাধ্যমে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য বলা হয়।

তবে বাকি ১০ উপজেলায় সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া যায়নি বলে উপজেলা সহকারী কমিশনাররা (ভূমি) প্রতিবেদন দাখিল করেছেন বলে জানা যায়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow