Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৩৫
পাবলিক সেক্টরে রিহ্যাব যথেষ্ট অবদান রাখছে
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, পাবলিক সেক্টরে রিহ্যাবের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। কেননা মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব হতো না।

তিনি গতকাল সকালে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর রেডিশন ব্লুর হলরুমে ‘রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার ২০১৭’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে জনসংখ্যা বাড়ছে, জমি বাড়ছে না। এখন গ্রামাঞ্চলেও খুব একটা ধান খেত, খালি জমি, বিল দেখা যায় না। সবখানে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। গণপূর্তমন্ত্রী আরও বলেন, আবাসন খাতকে সমৃদ্ধ করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের ৭৫ ভাগ উপজেলায় পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলা হচ্ছে। ছোট ভবন বাদ দিয়ে ২০ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। দেশের সব মানুষের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও পরিকল্পিত নগরায়ণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয় উল্লেখ করে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, শহরকে সুন্দর নগরীতে পরিণত করতে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট করতে হবে। তাহলে দেশ ও নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। আমরা ভবন নির্মাণ করব, সিটি করপোরেশনের গাড়ি কখন বর্জ্য নিতে আসবে সে অপেক্ষায় থাকার সময় নেই। তাই ভবন নির্মাণের সময় নিজ ব্যবস্থাপনায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট করার পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। এজন্য স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে আবাসন খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মো. নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে আবাসন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল কৈয়ূম চৌধুরী। এ সময় রিহ্যাব ফেয়ারের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন মন্ত্রীসহ অতিথিরা। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম রিজিয়নের আবাসন শিল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা ও পথিকৃৎ সানমার প্রপার্টিজ লিমিটেড ও ইকুুইটি প্রপার্টিজ ম্যানেজমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডকে স্বর্ণপদক ও স্মারক উপহার এবং ২০ জন শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীকে দৈনন্দিন ব্যবহারের সরঞ্জাম প্রদান করা হয়। চার দিনের এ মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow