Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:০৮
সিবিএ নেতা বলে কথা!
আট মাস অনুপস্থিতিকে ছুটি হিসেবে গণ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

সিবিএ নেতা তাই বদলি করা যাবে না। বদলি করায় ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া আট মাস তিনি কাজে অনুপস্থিত থাকেন।

এই সময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বারবার তাকে কাজে যোগদান করার নোটিস দিলেও তিনি কাজে যোগদান করেননি। পরে ওই আট মাস অনুপস্থিতিকে ছুটি হিসেবে  মেনে নিয়ে তাকে তার পুরনো কর্মস্থলেই যোগদানে বাধ্য হন কর্তৃপক্ষ। অতি প্রভাবশালী ওই ব্যক্তি রূপালী ব্যাংক সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ। রূপালী ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের এপ্রিল মাসে মহিউদ্দিন আহমেদকে কুমিল্লার একটি শাখায় বদলি করা হয়। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে ওই শাখায় যোগদান করেননি তিনি। কর্মরত থাকা স্থানীয় শাখায়ও তিনি অনুপস্থিত থাকেন। এ সময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে কয়েক বার কাজে যোগদান করতে নোটিস দেয়। তিনি কোথাও যোগদান না করে গত ডিসেম্বর মাসে এসে সাধারণ ছুটির আবেদন করেন প্রধান কার্যালয়ে।

প্রধান কার্যালয় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিলে তা উপেক্ষা করে স্থানীয় শাখা ব্যবস্থাপককে বাধ্য করেন ছুটির আবেদন মঞ্জুর করতে।

এমনকি স্থানীয় শাখা ব্যবস্থাপক কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করার ক্ষমতা না থাকলেও তারা প্রজ্ঞাপন জারি করে মহিউদ্দিন আহমেদকে কাজে যোগদানের অনুমতি দেয়। পূর্ব বদলির আদেশ বাতিল করা না হলেও পুরনো শাখায়ই যোগদান করেন তিনি। জানতে চাইলে ব্যাংকের মানবসমপদ বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় কার্যালয় কীভাবে করেছে সেটা তারা জানেন। স্থানীয় শাখার জিএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এটা নিয়ে অনেক রিপোর্ট হয়েছে। তবে বিষয়টি কীভাবে হয়েছে সেটা আরেকটু দেখতে হবে। এখন বলতে পারছি না। প্রজ্ঞাপন জারির ক্ষমতা প্রধান কার্যালয়ের। সেটা কীভাবে হয়েছে সেটা দেখব। মহিউদ্দিন আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংক আমাকে ছুটি দিয়েছে। এতে কোনো নিয়ম ভঙ্গ হয়নি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow