Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২২:৫৯
দক্ষিণ-মধ্যম হালিশহরের দুঃখ মহেষখালের বাঁধ
ফারুক তাহের, চট্টগ্রাম
দক্ষিণ-মধ্যম হালিশহরের দুঃখ মহেষখালের বাঁধ

মহেষখালের ওপর অপরিকল্পিত বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতা তীব্র আকার ধারণ করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৮ নং দক্ষিণ-মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড এলাকায়। এলাকার মানুষের কাছে বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে এই বাঁধ।

বাঁধটি অপসারণে ইতিমধ্যে এখানকার মানুষ বহু আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। তাদের দাবি— জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী বা অস্থায়ী কোনো বাঁধ নির্মাণ না করে মহেষখাল খাল পুনরুদ্ধার করতে হবে। এ ছাড়া বিভিন্নভাবে দখল, দূষণ ও ভরাটের কারণে মহেষখাল দিনে দিনে ছোট হয়ে আসছে। যাতে করে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হয় না। জলাবদ্ধতা দীর্ঘায়িত হয়।

৬ দশমিক ৫০ বর্গকিলোমিটারের এই ওয়ার্ডে এখনো গ্রামীণ পরিবেশ বিরাজ করছে। নাগরিক সুবিধা নেই বললেই চলে। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে ডুবে থাকা আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিকের বাসিন্দাদের রক্ষার জন্য মহেষখালের ওপর বন্দর কর্তৃপক্ষ বাঁধ তৈরি করেন। ফলে গত বর্ষা মৌসুমে এই বাঁধ নিয়েই ছিল উত্তেজনা। তাদের মতে— এই বাঁধের কারণে জোয়ারের পানির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দক্ষিণ-মধ্যম হালিশহর ও মুনীরনগর ওয়ার্ডসহ আশপাশের ১০ লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হন।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, বাঁধ নিয়ে বিহিত না হলে আগামী মৌসুমে কী হবে তা ভাবতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow