Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:১৮
চার প্রতিষ্ঠানের কাছে চসিকের পাওনা ১৩২ কোটি টাকা
সরকারি ২,২৮১ হোল্ডিংসের বিপরীতে পাওনা ২১৫ কোটি
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

সরকারি প্রধান চার প্রতিষ্ঠানের কাছেই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)-এর পাওনা ১৩২ কোটি ১ লাখ ২ হাজার ২২৩ টাকা। তাছাড়া সরকারি দুই হাজার ২৮১ হোল্ডিংসের বিপরীতে বার্ষিক পাওনা ২১৪ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার ১৬৮ টাকা এবং বেসরকারি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৫০ হোল্ডিংসের বিপরীতে বার্ষিক মোট পাওনা ১৩৩ কোটি ১৬ লাখ ৮১ হাজার ৮৮৫ টাকা।

সরকারি প্রধান এ চার প্রতিষ্ঠান হলো চট্টগ্রাম বন্দর, বাংলাদেশ রেলওয়ে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও স্টিল মিল। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা, বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে ৮৩ কোটি ৫০ লাখ ৭২ হাজার ৪৫৮ টাকা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে ১ কোটি ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৪১১ টাকা এবং স্টিল মিলের কাছে ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৪ টাকা পাওনা রয়েছে।

চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নগরের বকেয়া আদায়ে আমরা নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ লক্ষ্যে প্রথমে আমরা চসিকের আট সার্কেলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। তাছাড়া নগরবাসীকে কর প্রদানে উৎসাহমূলক নানা কর্মকাণ্ড পালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি প্রধান চার প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানকেও পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। আমরা আশানুরূপ সাড়াও পাচ্ছি। রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে দৈনিক ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার ৪২৫ টাকা পাাওনা দাবি থাকলেও তারা কোনো টাকা পরিশোধ করেনি। তবে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে দৈনিক ৩৬ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৪ টাকা পাওনা দাবি থাকলেও আদায় হয় ২৩ লাখ ৮ হাজার ৫০২ টাকা ৫০ পয়সা। জানা যায়, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে রাজস্ব কর্মকর্তার পদটি শূন্য ছিল। একই সঙ্গে আট সার্কেলের মধ্যে দুটির কর কর্মকর্তা এবং কয়েকটি সার্কেলের উপ করকর্মকর্তা ও কর আদায়কারী নেই দীর্ঘদিন ধরে। অন্যদিকে, একজন করআদায়কারী দীর্ঘদিন ধরে একই সার্কেলে কাজ করার সুবাদে ওয়ার্ডে অনেকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়। ফলে গ্রাহককে ফাঁকির নানা সুবিধা দিয়ে করআদায়কারী নিজেই সুবিধা ভোগের অভিযোগও আছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরেই রাজস্ব আদায়ে গতি অনেকটাই মন্থর ছিল। তবে কয়েক মাস আগে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা যোগ দেওয়ার পর রাজস্ব আদায়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে চসিক।  

 

এই পাতার আরো খবর
up-arrow