Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০১:৫২
২৯৭ পণ্য চালানের নথি গায়েব
তদন্ত শেষ হয়নি তিন বছরেও
রুহুল আমিন রাসেল

অর্থ পাচারের অপরাধে অভিযুক্ত রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান মেসার্স এসএন ডিজাইনের সেই ২৯৭টি পণ্য চালানের নথি গায়েব হয়ে গেছে। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে বার বার তাগাদা দিয়েও পাওয়া যায়নি নথি।

ফলে তিন বছরেও তদন্ত কাজ শেষ হয়নি। বিশাল অঙ্কের অর্থ পাচারে জড়িত স্পর্শকাতর এই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নথি গায়েবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে কাস্টমস।

এ বিষয়ে অর্থ পাচার আইনে দায়ের করা মামলায় সংশ্লিষ্ট নথি না পাওয়ায় তদন্ত কাজ ব্যাহত হওয়ার কথা জানিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড—এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানকে চিঠি দিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. মইনুল খান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়— রাজধানীর মিরপুরের সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এসএন ডিজাইন নামের প্রতিষ্ঠান ২৯৭টি পণ্য চালান জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে রপ্তানি করেছে (৭টি চালান রপ্তানির প্রক্রিয়াধীন)। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রা প্রত্যাবাশিত না হওয়ার ঘটনায় শুল্ক গোয়েন্দা অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে মতিঝিল থানায় মামলা করেছে। এই মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিদুল হককে। তিনি জানিয়েছেন— তদন্ত কাজ সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে ওই পণ্য চালানসমূহের শুল্কায়ন নথি ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) অনুযায়ী জব্দ করে পর্যালোচনা করা আবশ্যক। এ জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা দুবার সরেজমিন চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে গেছেন। কিন্তু প্রতিবারই নথি পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জানায় চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। ফলে আলোচিত নথিগুলো জব্দ করা সম্ভব হয়নি। আগেও শুল্ক গোয়েন্দা বিভিন্ন সময়ে নথিগুলো চেয়ে পত্র দেয়। কিন্তু নথি খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবারই শুল্ক গোয়েন্দাকে জানানো হয়। ফলে স্পর্শকাতর এই ফৌজদারি মামলাটির বর্তমানে তদন্ত কাজ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow