Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০১:৩৩
প্রশাসনে ঘুষ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
বিএনপিকে নির্বাচন করতে হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রশাসনে ঘুষ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংসদে জানিয়েছেন, প্রশাসনের অনিয়ম, ঘুষ ও দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের সৃজনশীল কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে জনপ্রশাসন পদক প্রবর্তন করা হয়েছে।

গতকাল জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে রহিম উল্লাহর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। সৈয়দ আশরাফ বলেন, জনবান্ধব সরকারি সেবা-ব্যবস্থাপনা এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আইনসম্মত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘সরকারি কর্মচারী আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন লাভ করেছে। তিনি বলেন, মাঠ প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে বর্তমান সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে— দুর্নীতি প্রতিরোধ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কোর্স, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, গ্রিভেন্স রিড্রেস সিস্টেম, অডিট কার্যক্রম, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ দাখিল, আয়কর রিটার্ন দাখিল, বেতন কমিশন গঠন কার্যক্রম প্রভৃতি। এদিকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, বিএনপি শেখ হাসিনার অধীনেই নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কোনো টালবাহানা করে লাভ হবে না। যদি গতবারের মতো ধ্বংসাত্মক আন্দোলন করেন তাহলে গণপিটুনির জন্য প্রস্তুত থাকেন। জনগণ এমন গণপিটুনি দেবে পালাবারও সময় পাবেন না।   স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে গতকাল রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

কোরাম সংকটে বারবার বিলম্বিত হচ্ছে সংসদ কার্যক্রম : কোরাম সংকটে বারবার সংসদ কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। গতকাল জাতীয় সংসদের চতুর্দশ ও শীতকালীন অধিবেশন শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে। কিন্তু অধিবেশনে বৈঠকের কার্যক্রম শুরু হয় ৫টা ৯ মিনিটে। কোরাম পূরণ না হওয়ায় সংসদের কার্যক্রম শুরু হতে বিলম্ব হয়। একইভাবে গতকাল মাগরিবের নামাজের জন্য ২০ মিনিটের বিরতি দেওয়া হয় সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে। সে হিসেবে বিরতির পর অধিবেশনের বৈঠক শুরু হওয়ার কথা ছিল ৬টা ২৫ মিনিটে। কিন্তু সংসদে বৈঠকের কার্যক্রম শুরু হয় ৬টা ৫৩ মিনিটে। একইভাবে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ৪-৩০ মিনিটে অধিবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তখন সংসদে মাত্র ১১ জন এমপি উপস্থিত ছিলেন। পরে সেদিন ৪-৫০ মিনিটে সংসদের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছিল। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা যায় ১২ ফেব্রুয়ারি। সেদিন ৪-৩২ মিনিটে মতিয়া চৌধুরীসহ মাত্র ১৪ জন এমপি সংসদে হাজির ছিলেন। বিরোধী দলের প্রথম সারিও ছিল খালি।

পরে সেদিন ৪-৫০ মিনিটে সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিবারই সংসদের চিফ হুইপকে কোরামের জন্য অস্থিরভাবে সংসদের লবি ও অধিবেশন কক্ষে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো কারণে অধিবেশনের বৈঠকে যেদিন অনুপস্থিত থাকেন, সেদিনই সংসদ কোরাম সংকটের সমস্যায় পড়ে যায়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow